৩৫/২. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৯০২ - স্বপ্নে রাসূল صلى الله عليه وسلم-কে দেখার শিক্ষা
স্বপ্নে নবী রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দর্শন লাভ।
স্বপ্নে রাসূল صلى الله عليه وسلم-কে দেখা এবং শয়তানের সীমাবদ্ধতা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৯০২
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৯০২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ـ ﷺ ـ أَنَّهُ قَالَ «مَنْ رَآنِي فِي الْمَنَامِ فَقَدْ رَآنِي إِنَّهُ لاَ يَنْبَغِي لِلشَّيْطَانِ أَنْ يَتَمَثَّلَ فِي صُورَتِي» .
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখেছে সে আমাকেই দেখেছে। কেননা আমার স্বরূপ ধারণ শয়তানের পক্ষে সম্ভব নয়।
[৩২৩৪] মুসলিম ২২৬৮, আহমাদ ১৪৩৬৫।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৯০২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে স্বপ্নে দেখেছে, সে তাঁকেই দেখেছে। কারণ শয়তানের পক্ষে তাঁর স্বরূপ ধারণ করা সম্ভব নয়। হাদিসটি “স্বপ্নে নবীজিকে দেখা” বিষয়ে একটি মূল ভিত্তি। এখানে কোনো জটিল ব্যাখ্যা নেই; বরং খুব পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে, নবী صلى الله عليه وسلم-এর রূপ শয়তান নিতে পারে না। তাই মুসলিমদের জন্য এটি স্বপ্নের বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা। তবে এই বর্ণনা আমাদের আরও একটি শিষ্টতা শেখায়—স্বপ্নের কথা বললে সেটিকে হাদিসের সীমার মধ্যে রাখতে হবে। নিজের কল্পনা বা অতিরিক্ত সিদ্ধান্তকে হাদিসের নামে বলা উচিত নয়। মূল বার্তা হলো, রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর মর্যাদা আলাদা, আর শয়তান তাঁর সত্য রূপ নকল করতে অক্ষম।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم-কে স্বপ্নে দেখা হাদিসে সত্য দেখার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
- শয়তান রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর স্বরূপ ধারণ করতে পারে না।
- স্বপ্নের বিষয়ে কথা বললে অতিরিক্ত কল্পনা থেকে দূরে থাকা দরকার।
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর মর্যাদা মুসলিমের মনে বিশেষ সম্মানের দাবি রাখে।
