৩৭/৯. অধ্যায়ঃ

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪১৪০ - কেয়ামতের দিনে রিজিক নিয়ে মানুষের আকাঙ্ক্ষা

অল্পে তুষ্টি

রিজিকের কদর: কেয়ামতের দিনে অল্প দুনিয়ার চাওয়া

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৪১৪০

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي وَيَعْلَى، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ نُفَيْعٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ " مَا مِنْ غَنِيٍّ وَلاَ فَقِيرٍ إِلاَّ وَدَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَنَّهُ أُتِيَ مِنَ الدُّنْيَا قُوتًا ".

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কেয়ামতের দিন ধনী-গরীব প্রত্যেকেই এই আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করবে যে, তাদেরকে যদি পৃথিবীতে জীবন ধারণোপযোগী রিযিক দান করা হতো।

[৩৪৭২] আহমাদ ১১৭৫৩, ১২২৯৯। দঈফাহ ৪৪৭৪, ৪৮৬৯।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪১৪০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم দুনিয়ার রিজিক নিয়ে খুব গভীর একটি শিক্ষা দিয়েছেন। কেয়ামতের দিন ধনী ও গরিব—উভয়েই চাইবে, দুনিয়ায় যদি শুধু জীবন চলার মতো রিজিক দেওয়া হতো! এখানে দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি এবং রিজিকের কদর—দুটি বিষয় পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়। মানুষ দুনিয়ায় কখনো বেশি সম্পদ দেখে ব্যস্ত হয়, আবার কখনো কম পেয়ে কষ্ট পায়। কিন্তু শেষ বিচারের দিনে দুনিয়ার বড় আয়োজন নয়, বরং নিরাপদ ও সীমিত জীবনযাপনের মূল্য বেশি করে ধরা পড়বে। হাদিসটি আমাদের মনে করায়, রিজিকের পরিমাণ নিয়ে অহংকার বা অতিরিক্ত আফসোস না করে আল্লাহর দেওয়া অবস্থাকে বুঝে চলা ভালো। কেয়ামতের দিনের আকাঙ্ক্ষা মানুষকে আজই সহজ জীবন বেছে নিতে শেখায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • দুনিয়ার সম্পদ বেশি বা কম—উভয় অবস্থাই কেয়ামতের দিনে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করবে।
  • জীবনধারণের মতো রিজিকও বড় একটি নিয়ামত, তা তুচ্ছ ভাবা উচিত নয়।
  • ধন-সম্পদকে জীবনের শেষ লক্ষ্য বানানো থেকে সতর্ক থাকা দরকার।
  • অল্পে সন্তুষ্ট থাকা আখেরাতমুখী ভাবনার সঙ্গে বেশি মিল রাখে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন