৩৭/১৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪১৮০ - রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর লজ্জাশীলতা ও ভদ্র আচরণ
লজ্জাশীলতা
রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর লজ্জাশীলতা: ভদ্রতা ও সুন্দর আচরণের শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৪১৮০
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৪১৮০
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، قَالاَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي عُتْبَةَ، - مَوْلًى لأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ - عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ أَشَدَّ حَيَاءً مِنْ عَذْرَاءَ فِي خِدْرِهَا وَكَانَ إِذَا كَرِهَ شَيْئًا رُئِيَ ذَلِكَ فِي وَجْهِهِ.
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পর্দানশীল কুমারীর চেয়েও অধিক লজ্জাশীল ছিলেন। তিনি কোন জিনিস অপছন্দ করলে তা তাঁর চেহারায় প্রতিভাত হতো বা তাঁর চেহারা দেখেই বোঝা যেতো।
[৩৫১২] সহীহূল বুখারী ৩৫৬২, মুসলিম ২৩২০, আহমাদ ১১৩৩৯, ১১৪২৩, ১১৪৫২, ১১৪৬৪। মুখতাসরুশ শামাইল ৩০৭।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪১৮০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর লজ্জাশীলতা খুব সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, তিনি পর্দানশীল কুমারীর চেয়েও বেশি লজ্জাশীল ছিলেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো, লজ্জাশীলতা দুর্বলতা নয়; বরং ভদ্রতা, সংযম ও সুন্দর চরিত্রের পরিচয়। তিনি কোনো জিনিস অপছন্দ করলে তা কঠোর ভাষায় প্রকাশ করতেন না; বরং তাঁর চেহারায় সেই অপছন্দ বোঝা যেত। তাই এই হাদিস আমাদের শেখায়, মনের অপছন্দ প্রকাশ করলেও ভাষা ও আচরণ যেন ভদ্র থাকে। “রাসূলের লজ্জাশীলতা”, “ইসলামে লজ্জাশীলতা” এবং “নবীর চরিত্র” বিষয়গুলো বুঝতে এই বর্ণনা খুব গুরুত্বপূর্ণ। একজন মুসলিমের জন্য কথা, চেহারা ও আচরণ—সব জায়গায় শালীনতা ধরে রাখা বড় শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- লজ্জাশীলতা উত্তম চরিত্রের অংশ, দুর্বলতার লক্ষণ নয়।
- অপছন্দের বিষয় প্রকাশ করলেও ভদ্রতা রাখা উচিত।
- রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর আচরণে কোমলতা ও সংযম স্পষ্ট ছিল।
- চেহারা ও আচরণও মানুষের চরিত্রের পরিচয় দেয়।
