৩৭/১৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪১৮১ - ইসলামের বৈশিষ্ট্য লজ্জাশীলতা
লজ্জাশীলতা
ইসলামের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য: লজ্জাশীলতার গুরুত্ব
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৪১৮১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৪১৮১
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الرَّقِّيُّ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ يَحْيَى، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ " إِنَّ لِكُلِّ دِينٍ خُلُقًا وَخُلُقُ الإِسْلاَمِ الْحَيَاءُ " .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ প্রতিটি ধর্মেরই একটা স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য আছে। আর ইসলামের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হলো 'লজ্জাশীলতা'।
[৩৫১৩] হাদীস টি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। সহীহাহ ৯৪০, রাওদুন নাদীর ৪১।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪১৮১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, প্রতিটি ধর্মের একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য আছে, আর ইসলামের বৈশিষ্ট্য হলো লজ্জাশীলতা। কথাটি ছোট হলেও এর শিক্ষা গভীর। ইসলাম মানুষকে শুধু কিছু কাজের নিয়ম শেখায় না; বরং মানুষের ভেতরে সুন্দর স্বভাব গড়ে তুলতেও শেখায়। লজ্জাশীলতা মানুষকে অশালীন কথা, বেপরোয়া কাজ এবং সীমা ছাড়ানো আচরণ থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। তাই “ইসলামের বৈশিষ্ট্য লজ্জাশীলতা” শুধু একটি বাক্য নয়, মুসলিম জীবনের একটি বড় নীতি। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, যে আচরণে শালীনতা নেই, তা ইসলামের সুন্দর চরিত্রের সঙ্গে যায় না। ঘরে, বাইরে, কথায় ও কাজে লজ্জাশীলতা ধরে রাখা একজন মুমিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইসলামে লজ্জাশীলতা একটি পরিচিত ও মূল্যবান গুণ।
- সুন্দর চরিত্র গঠনে লজ্জাশীলতা বড় ভূমিকা রাখে।
- অশালীন কথা ও বেপরোয়া আচরণ থেকে দূরে থাকা দরকার।
- ধর্মীয় পরিচয় শুধু কথায় নয়, আচরণেও প্রকাশ পায়।
