৩৭/১৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪১৮৪ - লজ্জাশীলতা ঈমানের অংশ
লজ্জাশীলতা
লজ্জাশীলতা ঈমানের অঙ্গ: অশ্লীলতা থেকে দূরে থাকার শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৪১৮৪
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৪১৮৪
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي بَكْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ " الْحَيَاءُ مِنَ الإِيمَانِ وَالإِيمَانُ فِي الْجَنَّةِ وَالْبَذَاءُ مِنَ الْجَفَاءِ وَالْجَفَاءُ فِي النَّارِ " .
আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ লজ্জাশীলতা ঈমানের অঙ্গ। আর ঈমানের অবস্থান হল জান্নাতে। আর অশ্লীলতা হল অত্যাচার (জুলুম), আর অত্যাচার থাকবে জাহান্নামে।
[৩৫১৬] হাদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। রাওদুন নদীর ৭৪৪, সহীহাহ ৪৯৫।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪১৮৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে লজ্জাশীলতা ও ঈমানের সম্পর্ক স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, লজ্জাশীলতা ঈমানের অঙ্গ, আর ঈমানের অবস্থান জান্নাতে। বিপরীতে অশ্লীলতা কাঠিন্যের সঙ্গে যুক্ত, আর কাঠিন্যের পরিণতি জাহান্নামের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই এই হাদিসে দুই ধরনের চরিত্র পাশাপাশি এসেছে—একটি শালীন ও ঈমানঘন, অন্যটি অশ্লীল ও কঠোর। এখানে “লজ্জাশীলতা ঈমানের অংশ” কথাটি আমাদের আচরণের মান যাচাই করতে শেখায়। কেউ মুমিন হতে চাইলে তার কথা, রাগ, হাসি-ঠাট্টা ও ব্যবহারেও শালীনতা থাকা দরকার। অশ্লীল ভাষা, নির্লজ্জ ভঙ্গি এবং রূঢ় আচরণ থেকে দূরে থাকা এই হাদিসের বড় শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- লজ্জাশীলতা ঈমানের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
- অশ্লীল কথা ও আচরণ চরিত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
- কঠোরতা ও নির্লজ্জতা থেকে বেঁচে থাকা উচিত।
- ঈমানের প্রভাব মানুষের ব্যবহারেও দেখা যায়।
