৩৭/১৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪১৮৫ - লজ্জা সৌন্দর্য বাড়ায়, অশ্লীলতা কুৎসিত করে
লজ্জাশীলতা
লজ্জা সৌন্দর্য বাড়ায়: অশ্লীলতা থেকে বাঁচার হাদিস
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৪১৮৫
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৪১৮৫
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ ﷺ ـ قَالَ " مَا كَانَ الْفُحْشُ فِي شَىْءٍ قَطُّ إِلاَّ شَانَهُ وَلاَ كَانَ الْحَيَاءُ فِي شَىْءٍ قَطُّ إِلاَّ زَانَهُ " .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ নির্লজ্জতা ও অশ্লীলতা কোন বস্তুর কেবল কদর্যতাই বৃদ্ধি করে এবং লজ্জা-শরম কোন জিনিসের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে।
[৩৫১৭] তিরমিযী ১৯৭৪। আত তা'লীকুর রাগীব ৩/২৫৫, মিশকাত ৪৮৫৪।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪১৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم খুব সহজ ভাষায় দুইটি সত্য বলেছেন। অশ্লীলতা বা নির্লজ্জতা কোনো কিছুর মধ্যে থাকলে তা তাকে কুৎসিত করে। আর লজ্জা-শরম কোনো কিছুর মধ্যে থাকলে তা তার সৌন্দর্য বাড়ায়। কথাটি শুধু ভাষার ক্ষেত্রে নয়, আচরণ, সম্পর্ক, পোশাক, রাগ, মজা—সব জায়গায় প্রযোজ্য হতে পারে, যতটুকু হাদিসের সাধারণ ভাষা বোঝায়। “লজ্জা সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে” এই শিক্ষা আমাদের বলে, সুন্দর হতে হলে শুধু বাহ্যিক সাজ যথেষ্ট নয়; কথা ও আচরণও শালীন হতে হবে। অশ্লীল রসিকতা, কটু ভাষা বা নির্লজ্জ আচরণ কোনো কাজকে ভালো করে না। লজ্জাশীলতা মানুষকে সম্মানিত ও গ্রহণযোগ্য করে তোলে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অশ্লীলতা আচরণকে খারাপ ও কুৎসিত করে।
- লজ্জাশীলতা কথা ও কাজে সৌন্দর্য যোগ করে।
- শালীন ব্যবহার মানুষের মর্যাদা বাড়াতে সাহায্য করে।
- নির্লজ্জতা থেকে দূরে থাকা মুসলিম চরিত্রের অংশ।
