৩৭/৩৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪৩০৪ - হাওদের দুই তীরের দূরত্ব
হাওদ কাওসারের আলোচনা
হাওদে কাওসারের বিস্তৃতি: দুই তীরের দূরত্বের হাদিস
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৪৩০৪
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৪৩০৪
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ " مَا بَيْنَ نَاحِيَتَىْ حَوْضِي كَمَا بَيْنَ صَنْعَاءَ وَالْمَدِينَةِ أَوْ كَمَا بَيْنَ الْمَدِينَةِ وَعَمَّانَ " .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমার হাওদের দু তীরের ব্যবধান (ইয়ামানের রাজধানী) সানআ' ও মদীনার মধ্যকার দূরত্বের সমান অথবা মদীনা ও আম্মানের মধ্যকার দূরত্বের সমান।
[৩৬৩৬] (সহীহুল বুখারী ৬৫৮০, মুসলিম ২৩০৩, আহমাদ ১১৯৫৪, ১২৮৪৯, ১২৮৮১, ১২৯৯২। আয-যিলাল ৭১৪।)
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪৩০৪-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم তাঁর হাওদের বিস্তৃতি বোঝাতে পরিচিত স্থানের দূরত্বের উদাহরণ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তাঁর হাওদের দুই তীরের ব্যবধান সানআ ও মদীনার মধ্যকার দূরত্বের মতো, অথবা মদীনা ও আম্মানের মধ্যকার দূরত্বের মতো। হাদিসের মূল কথা হলো হাওদে কাওসারের বিশালতা। এখানে পানির স্বাদ বা পাত্রের সংখ্যা বলা হয়নি; শুধু দূরত্বের দিকটি এসেছে। তাই ব্যাখ্যাতেও সেই সীমার মধ্যে থাকা দরকার। এই বর্ণনা কেয়ামতের দিনের হাওদকে মনে করায় এবং নবী صلى الله عليه وسلم-এর উম্মতের জন্য সেই বিশেষ নিয়ামতের কথা স্মরণ করায়। একই সঙ্গে এটি আমাদের পরকালের বাস্তব বিষয়গুলোর প্রতি মনোযোগী হতে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাওদে কাওসারের বিস্তৃতি খুব বড় বলে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।
- নবী صلى الله عليه وسلم দূরত্ব বোঝাতে পরিচিত শহরের উদাহরণ দিয়েছেন।
- পরকালের বিষয়গুলো নিয়ে ভাবা ঈমানকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
