২/৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৬৭৯ - জাহান্নামের নিঃশ্বাস ও গরমে যোহর
প্রচণ্ড গরমের মৌসুমে যোহরের সালাত ঠাণ্ডা করে পড়া
জাহান্নামের নিঃশ্বাস থেকে গরম: যোহর ঠান্ডা করে পড়ার হাদিস
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৬৭৯
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৬৭৯
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ «أَبْرِدُوا بِالظُّهْرِ فَإِنَّ شِدَّةَ الْحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ " .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা যোহরের সালাত ঠাণ্ডা করে পড়ো। কেননা গরমের তীব্রতা জাহান্নামের নিঃশ্বাস থেকে।
[৬৭৭] বুখারী ৫৩৮, আহমাদ ১১০৯৮। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৬৭৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তোমরা যোহর সালাত ঠান্ডা করে পড়ো। কারণ গরমের তীব্রতা জাহান্নামের নিঃশ্বাস থেকে। এখানে মূল বিষয় হলো প্রচণ্ড গরমের সময় যোহর সালাত কিছুটা ঠান্ডা সময়ে পড়া। আগের বর্ণনায় গরমের তীব্রতাকে জাহান্নামের উত্তাপ বলা হয়েছে, আর এখানে জাহান্নামের নিঃশ্বাস বলা হয়েছে। দুই বর্ণনাতেই মূল শিক্ষা একই—প্রচণ্ড গরমে যোহর সালাতের সময়ের মধ্যে সহজতার দিক রয়েছে। তবে এটাকে নিজের ইচ্ছামতো সীমাহীন বিলম্বের দলিল বানানো ঠিক নয়; হাদিসে নির্দিষ্টভাবে গরমের তীব্রতার কথা এসেছে। সহজ ভাষায়, সালাতের গুরুত্ব বজায় রেখে পরিবেশের কষ্টও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রচণ্ড গরমে যোহর সালাত ঠান্ডা করে পড়ার শিক্ষা এসেছে।
- গরমের তীব্রতাকে জাহান্নামের নিঃশ্বাস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- হাদিসের ভাষা ও শর্ত ঠিকভাবে ধরে ব্যাখ্যা করা জরুরি।
