৬/৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৫০০ - প্রচণ্ড গরমে সালাত দেরি
প্রচণ্ড গরম হলে যুহরের সলাত গরম কমলে আদায় করা
প্রচণ্ড গরমে সালাত দেরিতে আদায়ের হাদিস
সুনানে আন-নাসায়ী : ৫০০
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৫০০
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيِّبِ وَأَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا اشْتَدَّ الْحَرُّ فَأَبْرِدُوا عَنِ الصَّلَاةِ؛ فَإِنَّ شِدَّةَ الْحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: গরম প্রচণ্ড হলে সালাত দেরি করে আদায় কর। কেননা গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের তাপ হতেই হয়ে থাকে।
[১] ‘গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের ভাপ’ অর্থাৎ মৌসুমি তাপের আধিক্য জাহান্নামের গরমেরই নমুনা।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৫০০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, গরম প্রচণ্ড হলে সালাত দেরি করে আদায় কর। কারণ গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের তাপ থেকে হয়ে থাকে। এখানে মূল বিষয় হলো, প্রচণ্ড গরমের সময় সালাত কিছুটা দেরিতে আদায় করার নির্দেশ। হাদিসটি গরমের কষ্টকে সরাসরি সালাতের সময়ের সঙ্গে যুক্ত করেছে। তাই “গরমে সালাত দেরি”, “যুহরের সালাতের সময়” এবং “প্রচণ্ড গরমের হাদিস”—এসব শব্দ এই বর্ণনার সঙ্গে খুব কাছের। তবে হাদিসে যতটুকু এসেছে, ততটুকুই বলা উচিত। এতে বোঝা যায়, ইসলামি আমলে সালাতের গুরুত্ব বজায় রেখে মানুষের কষ্টের বিষয়টিও বিবেচনায় এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রচণ্ড গরম হলে সালাত দেরিতে আদায়ের নির্দেশ এসেছে।
- গরমের তীব্রতাকে হাদিসে জাহান্নামের তাপের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
- সালাতের সময়ের ক্ষেত্রে বাস্তব কষ্টের বিষয় বিবেচিত হতে পারে।
- হাদিসের শিক্ষা মানতে হলে ভাষা ও সীমা দুটিই খেয়াল রাখতে হয়।
