২৭/১১. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১০৮১ - ইবাদত ও দায়িত্বে সততার শিক্ষা
গোলামের সওয়াব যখন সে মনিবের কল্যাণে ব্রতী হয় এবং আল্লাহর ইবাদত উত্তমরূপে করে।
ইবাদত ও দায়িত্বে সততা: হাদিস ১০৮১-এর সহজ শিক্ষা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১০৮১
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১০৮১
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: نِعْمَ مَا لأَحَدِهِمْ يُحْسِنُ عِبَادَةَ رَبِّهِ، وَيَنْصَحُ لِسَيِّدِهِ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন, কত ভাগ্যবান সে যে উত্তমরূপে আপন প্রতিপালকের ইবাদত করে এবং নিজ মনিবের হিতাকাঙ্ক্ষী হয়।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৪৯: ক্রীতদাস আযাদ করা, অধ্যায় ১৬, হাঃ ২৫৪৯
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১০৮১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো ইবাদত ও দায়িত্ব—দুটোই একজন মুমিনের জীবনে গুরুত্ব রাখে। নবী (صلى الله عليه وسلم) এমন ব্যক্তিকে ভাগ্যবান বলেছেন, যে নিজের প্রতিপালকের ইবাদত উত্তমভাবে করে এবং নিজ মনিবের প্রতি হিতাকাঙ্ক্ষী থাকে। এখানে মূল কথা হলো, আল্লাহর হক আদায় করার পাশাপাশি মানুষের প্রতি নিজের দায়িত্বও অবহেলা না করা। কেউ যদি দায়িত্বের জায়গায় থাকে, সে যেন আন্তরিকতা, সততা ও কল্যাণকামিতা দেখায়। হাদিসটি বিশেষভাবে ক্রীতদাসের প্রসঙ্গে এসেছে, তাই ব্যাখ্যাতেও সেই সীমা রাখা হয়েছে। তবে সাধারণভাবে এর শিক্ষা হলো—ইবাদত শুধু কথায় নয়, আচরণ ও দায়িত্ব পালনের মধ্যেও প্রকাশ পায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আল্লাহর ইবাদত সুন্দরভাবে করা মুমিনের বড় গুণ।
- যার অধীনে কাজ করা হয়, তার কল্যাণ কামনা করা সততার অংশ।
- ইবাদত ও দায়িত্ব পালনে ভারসাম্য রাখা জরুরি।
- প্রশংসনীয় জীবন হলো যেখানে আল্লাহর হক ও মানুষের হক দুটোই দেখা হয়।
