১/৭. অধ্যায়ঃ

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১২ - মজলুমের ফরিয়াদ থেকে সাবধান

আল্লাহ ও তদীয় রাসূলের প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ, দ্বীনের শরীয়ত এবং তার প্রতি আহ্বান।

মজলুমের ফরিয়াদ: জুলুম থেকে বাঁচার শক্ত সতর্কতা

আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১২

حديث ابْنُ عَبّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعَثَ مُعاذًا إِلى الْيَمَنِ فَقالَ: اتَّقِ دَعْوَةَ المَظْلُومِ فَإِنَّها لَيْسَ بَيْنَها وَبَيْنَ اللهِ حِجابٌ

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) যখন মু‘আয (রাঃ)-কে ইয়ামানে পাঠান এবং তাঁকে বলেন, মাযলূমের ফরিয়াদকে ভয় করবে। কেননা, তার ফরিয়াদ এবং আল্লাহর মাঝে কোন পর্দা থাকে না।

সহীহুল বুখারী, পর্ব ৪৬; অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন, অধ্যায় ৯, হাঃ ২৪৪৮; মুসলিম, পর্ব ১: ঈমান, অধ্যায় ৭, হাঃ ১৯ ৩

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) মু‘আয (রাঃ)-কে ইয়ামানে পাঠানোর সময় একটি খুব বড় সতর্কতা দেন। তিনি বলেন, মজলুমের ফরিয়াদকে ভয় করবে। কারণ তার ফরিয়াদ এবং আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা থাকে না। এই হাদিসের মূল বিষয় হলো জুলুম থেকে বাঁচা এবং মানুষের অধিকারকে হালকা মনে না করা। মজলুমের দোয়া হাদিস আমাদের মনে করায়, ক্ষমতা, দায়িত্ব বা অবস্থান যা-ই থাকুক, কারও উপর অন্যায় করা ভয়ংকর বিষয়। এখানে কোনো দীর্ঘ বিধান বলা হয়নি; শুধু একটি বাক্যে জুলুমের কঠিন পরিণতির দিকে মন ফেরানো হয়েছে। তাই মুসলিমের আচরণে ন্যায়, দয়া এবং সতর্কতা থাকা দরকার। তাই কারও কষ্ট, অধিকার বা কান্নাকে তুচ্ছ করা ঠিক নয়। নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর এই সংক্ষিপ্ত সতর্কতা জালিম মনোভাব থেকে দূরে থাকতে শেখায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মজলুমের ফরিয়াদকে ভয় করতে বলা হয়েছে।
  • মজলুমের দোয়া এবং আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা নেই।
  • দায়িত্বে থাকলে মানুষের অধিকার রক্ষায় সতর্ক হতে হবে।
  • জুলুম ছোট মনে করলেও তার ফল গুরুতর হতে পারে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন