৩৩/২৬. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১২২৮ - ঘোড়ার কপালে বরকত
কেয়ামত পর্যন্ত ঘোড়ার কপালে মঙ্গল (লিখিত)।
ঘোড়ার কপালের কেশে বরকত: সহজ হাদিস ব্যাখ্যা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১২২৮
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১২২৮
حديث أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: الْبَرَكَةُ فِي نَوَاصِي الْخَيْلِ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ঘোড়ার কপালের কেশ দামে বরকত আছে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৫৬ : জিহাদ ও যুদ্ধাভিযান, অধ্যায় ৪৩, হাঃ ২৮৫১; মুসলিম, পর্ব ৩৩: ইমারাত বা নেতৃত্ব, অধ্যায় ২৬, হাঃ ১৮৭৩
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১২২৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, ঘোড়ার কপালের কেশগুচ্ছে বরকত আছে। এটি ঘোড়া বিষয়ে একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু অর্থবহ বর্ণনা। আগের বর্ণনাগুলোতেও ঘোড়ার কপালের কেশগুচ্ছে কল্যাণের কথা এসেছে। এখানে শব্দটি এসেছে বরকত। তাই মূল শিক্ষা হলো, ঘোড়ার মধ্যে আল্লাহ প্রদত্ত কল্যাণের একটি দিক আছে। হাদিসের সরাসরি পাঠে এতটুকুই বলা হয়েছে, তাই এর বাইরে বাড়তি দাবি করা ঠিক হবে না। এই বর্ণনা বিশেষ করে সেই সময়ের ঘোড়ার গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করে, যখন ঘোড়া ছিল চলাচল, প্রস্তুতি ও আল্লাহর পথে কাজে লাগার একটি বড় মাধ্যম।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم ঘোড়ার কপালের কেশে বরকতের কথা বলেছেন।
- ঘোড়া সম্পর্কে হাদিসে কল্যাণ ও বরকতের ভাষা এসেছে।
- হাদিসের সীমার মধ্যে থেকে অর্থ বোঝা উচিত।
- সঠিক কাজে ব্যবহৃত বাহনও মূল্যবান হতে পারে।
