৩৪/৩. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১২৬০ - দাঁতযুক্ত হিংস্র প্রাণী খেতে নিষেধ
প্রত্যেক বিষদাঁতবিশিষ্ট জন্তু ও প্রত্যেক নখরবিশিষ্ট পাখি খাওয়া হারাম।
হারাম প্রাণী: দাঁতযুক্ত হিংস্র জন্তু খাওয়ার নিষেধ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১২৬০
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১২৬০
حديث أَبِي ثَعْلَبَةَ رضي الله عنه، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهى عَنْ أَكْلِ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنْ السِّبَاعِ
আবূ সা'লাবাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দাঁত বিশিষ্ট সর্বপ্রকার হিংস্র জন্তু খেতে নিষেধ করেছেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৭২; যবহ ও শিকার, অধ্যায় ৪ হাদীস নং ৫৪৭৮; মুসলিম পর্ব ৩৪ : শিকার, যব্হ ও কোন্ প্রকার জন্তু খাওয়া যায়, অধ্যায় ১, হাঃ ১৯৩০
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১২৬০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিস খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু খাদ্যের হালাল-হারাম বিষয়ে স্পষ্ট শিক্ষা দেয়। আবু সা'লাবাহ রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم দাঁত বিশিষ্ট সব হিংস্র জন্তু খেতে নিষেধ করেছেন। এখানে মূল কথা হলো, সব প্রাণী খাওয়া বৈধ নয়। যে হিংস্র প্রাণীর শিকারী দাঁত আছে, সেই ধরনের জন্তু সম্পর্কে নিষেধ এসেছে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, খাবার বাছাই শুধু রুচির বিষয় নয়; ইসলামে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশও মানতে হয়। তবে হাদিসে শুধু এই নির্দিষ্ট নিষেধ এসেছে, তাই আমরা এর বাইরে নিজের মতো করে প্রাণীর তালিকা বানাই না। ইসলামী স্কলারদের মতে, বিস্তারিত প্রয়োগের জন্য ফিকহের নির্ভরযোগ্য আলেমদের কাছে জিজ্ঞেস করা ভালো। তাই মুসলিমের খাবার নির্বাচনেও আনুগত্য ও সতর্কতার জায়গা আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দাঁতযুক্ত হিংস্র জন্তু খেতে নিষেধ এসেছে।
- খাদ্যের ক্ষেত্রে হালাল-হারামের সীমা মানা জরুরি।
- রুচি বা অভ্যাস নয়, শরীয়তের নির্দেশকে আগে রাখতে হয়।
- বিস্তারিত প্রাণীর তালিকা জানতে আলেমদের কাছে জিজ্ঞেস করা ভালো।
