৩৫/৬. অধ্যায়ঃ

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১২৯১ - ফারা ও আতীরা নেই

ফারা ও আতিরার বর্ণনা।

ফারা ও আতীরা: ইসলামে দেবতার নামে যবেহের জায়গা নেই

আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১২৯১

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: لاَ فَرَعَ وَلاَ عَتِيرَةَ وَالْفَرَعَ أَوَّلُ النِّتَاجِ كَانُوا يَذْبَحُونَهُ لَطَوَاغِيتِهِمْ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেন, (ইসলামে) ফারা‘ বা ‘আতীরাহ্ নেই। ফারা‘ হল উটের সে প্রথম বাচ্চা, যা তারা তাদের দেব-দেবীর নামে যবহ করত।

সহীহুল বুখারী, পর্ব ৭১: আকীকাহ, অধ্যায় ৩, হাঃ ৫৪৭৩; মুসলিম, পর্ব ৩৫ : কুরবানী, অধ্যায় ৬, হাঃ ১৯৭৬

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১২৯১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসের মূল বিষয় হলো ফারা ও আতীরা। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, ইসলামে ফারা নেই এবং আতীরা নেই। এরপর বর্ণনায় ফারা সম্পর্কে ব্যাখ্যা এসেছে: ফারা হলো উটের প্রথম বাচ্চা, যা তারা তাদের দেব-দেবীর নামে যবেহ করত। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও এর বার্তা পরিষ্কার। যবেহ, কুরবানী বা পশু উৎসর্গের বিষয়টি আল্লাহর জন্য হবে; দেব-দেবী বা মিথ্যা উপাস্যের নামে এমন কাজ ইসলামে গ্রহণযোগ্য নয়। এখানে আতীরার নামও এসেছে, তবে এই বর্ণনায় তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তাই আমরা শুধু এতটুকুই বলি যে, নবী (صلى الله عليه وسلم) ফারা ও আতীরা নেই বলেছেন এবং ফারাকে দেব-দেবীর নামে প্রথম বাচ্চা যবেহের কাজ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এই হাদিস তাওহীদের দিকে মনকে ফিরিয়ে দেয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • দেব-দেবীর নামে পশু যবেহ ইসলামের শিক্ষা নয়।
  • নবী (صلى الله عليه وسلم) ফারা ও আতীরাকে বাতিল করেছেন।
  • ইবাদত ও উৎসর্গের কাজ আল্লাহর জন্য হওয়া উচিত।
  • হাদিসে যে ব্যাখ্যা আছে, তার বাইরে বাড়তি দাবি করা ঠিক নয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন