৩৬/২৩. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৩২৫ - তাজা খেজুর ও কাঁকুড় খাওয়ার সুন্নাহ
তাজা খেজুরের সাথে শসা খাওয়া।
তাজা খেজুর ও কাঁকুড়: নবীজির খাবারের সুন্নাহ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৩২৫
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৩২৫
حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْكُلُ الرُّطَبَ بالْقِثَّاءِ
আবদুল্লাহ ইবনু জা‘ফর ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি নবী (ﷺ)-কে তাজা খেজুর কাঁকুড়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে দেখেছি।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৭০: খাওয়া-খাদ্য, অধ্যায় ৩৯, হাঃ ৫৪৪০; মুসলিম, পর্ব ৩৬ : পানীয়, অধ্যায় ২৩, হাঃ ২০৪৩
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৩২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি ছোট, কিন্তু খাবারের সুন্নাহ জানতে খুব গুরুত্বপূর্ণ। আবদুল্লাহ ইবনু জা‘ফর (রাঃ) বলেন, তিনি নবী (صلى الله عليه وسلم)-কে তাজা খেজুর কাঁকুড়ের সঙ্গে খেতে দেখেছেন। হাদিসে কোনো দীর্ঘ ব্যাখ্যা বা অতিরিক্ত কারণ বলা হয়নি। তাই এখান থেকে শুধু এতটুকুই স্পষ্টভাবে বলা যায়—নবী (صلى الله عليه وسلم) এই খাবার একসঙ্গে খেয়েছেন। বাংলায় অনেকেই খোঁজেন ‘খেজুর ও শসা খাওয়ার হাদিস’ বা ‘রুতাব বিল কিস্সা হাদিস’। কাঁকুড় ক্ষীরা জাতীয় খাবার, আর তাজা খেজুর মিষ্টি ফল। তবে এই বর্ণনার বাইরে স্বাস্থ্য বিষয়ে বড় দাবি করা ঠিক নয়। মূল শিক্ষা হলো নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সরল খাবার ও তাঁর দেখা সুন্নাহকে ভালোবাসা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) তাজা খেজুর কাঁকুড়ের সঙ্গে খেয়েছেন—এটাই হাদিসের সরাসরি বক্তব্য।
- খাবারের সুন্নাহ জানতে সাহাবীদের দেখা বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ।
- এই হাদিস থেকে অতিরিক্ত স্বাস্থ্য দাবি করা উচিত নয়, কারণ তা টেক্সটে নেই।
