২/৮. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৩৭ - নাক পরিষ্কার ও বিজোড় ঢিলা
নাকে পানি দেয়া ও ঝাড়া এবং ইস্তিন্জায় বেজোড় ঢিলা-পাথর ব্যবহার করা।
ওযুতে নাক পরিষ্কার ও শৌচকার্যে বিজোড় সংখ্যার শিক্ষা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৩৭
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৩৭
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ: مَنْ تَوَضَّأَ فَلْيَسْتَنْثِرْ، وَمَنِ اسْتَجْمَرَ فَلْيُوتِرْ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি ওজু করে সে যেন নাকে পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করে। আর যে শৌচকার্য করে সে যেন বিজোড় সংখ্যক ঢিলা ব্যবহার করে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৪: উযু, অধ্যায় ২৫, হাঃ ১৬১; মুসলিম, পর্ব ২; পবিত্রতা, অধ্যায় ৮, হাঃ ২৩৭
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৩৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবীজি (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি ওযু করে সে যেন নাকে পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করে। আর যে শৌচকার্য করে সে যেন বিজোড় সংখ্যক ঢিলা ব্যবহার করে। এখানে পবিত্রতার দুটি দিক এসেছে। একদিকে ওযুর সময় নাক পরিষ্কার করা, অন্যদিকে শৌচের পর পরিষ্কার হওয়ার আদব। ইসলামে পরিচ্ছন্নতা শুধু বাহ্যিক সাজসজ্জা নয়; ইবাদতের সঙ্গে যুক্ত পবিত্রতার অংশ। হাদিসটি ছোট হলেও প্রতিদিনের জীবনে খুব কাজে লাগে। ওযু করার সময় তাড়াহুড়া না করে নাক পরিষ্কারের দিকেও খেয়াল রাখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওযুতে নাক পরিষ্কার করা গুরুত্বপূর্ণ আদব।
- শৌচকার্যের পর পরিষ্কার হওয়ার বিষয়ে ইসলাম নির্দেশ দিয়েছে।
- পবিত্রতার ছোট কাজও ইবাদতের প্রস্তুতির অংশ।
