২/২৮. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৬১ - স্থির পানিতে পেশাব নিষেধ
আবদ্ধ পানিতে পেশাব করা নিষিদ্ধ।
স্থির পানিতে পেশাব নিষেধ: পবিত্রতা রক্ষার হাদিস
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৬১
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৬১
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: لاَ يَبُولَنَّ أَحَدُكُمْ في الْمَاءِ الدَّائِمِ الَّذِي لاَ يَجْرِي ثُمَّ يَغْتَسِلُ فِيهِ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি আল্লাহর রাসূল (ﷺ) কে বলতে শুনেছেন, তোমাদের কেউ যেন স্থির- যা প্রবাহিত নয় এমন পানিতে কখনো পেশাব না করে। (সম্ভবত) পরে সে আবার তাতে গোসল করবে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৪: উযূ, অধ্যায় ৬৮, হাঃ ২৩৯; মুসলিম, পর্ব ২: পবিত্রতা, অধ্যায় ২৮, হাঃ ২৮২
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৬১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আল্লাহর রাসূল (صلى الله عليه وسلم) স্থির বা প্রবাহিত নয় এমন পানিতে পেশাব করতে নিষেধ করেছেন। মূল শিক্ষা হলো, যে পানি ব্যবহার করা হতে পারে, বিশেষ করে গোসলের জন্য, সেটি নোংরা করা উচিত নয়। এখানে পানির পবিত্রতা, পরিচ্ছন্নতা এবং অন্যের ব্যবহারযোগ্য জিনিস নষ্ট না করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে আসে। হাদিসের ভাষায় পরে সে আবার তাতে গোসল করতে পারে—এ কথা মানুষকে নিজের কাজের ফল ভাবতে শেখায়। তাই বদ্ধ পানি, পুকুর, ট্যাংক বা জমে থাকা পানির ক্ষেত্রে মুসলিমের আচরণ সতর্ক হওয়া দরকার। এটি শুধু ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা নয়, অন্যের সুবিধা ও পানির সম্মান রক্ষার শিক্ষাও দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- স্থির পানিতে পেশাব করা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- যে পানি পরে ব্যবহার হতে পারে, তা নোংরা করা ঠিক নয়।
- পবিত্রতা রক্ষায় নিজের কাজের ফল আগে ভাবা দরকার।
- ইসলামে পরিচ্ছন্নতা ব্যক্তিগত ও সামাজিক—দুই দিকেই গুরুত্বপূর্ণ।
