৪৫/৬. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৬৫৭ - রিজিক ও সুনামের জন্য আত্মীয়তার সম্পর্ক
আত্মীয়তার সম্পর্ক ও তা বিচ্ছিন্ন করা হারাম।
সিলাতুর রাহিম: রিজিক ও সুনামের সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৬৫৭
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৬৫৭
حَدِيثُ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ الله صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: مَنْ سَرَّهُ أَنْ يُبْسَطَ لَهُ رِزْقُهُ، أَو يُنْسَأَ لَهُ فِي أَثَرِهِ، فَلْيَصِلْ رَحِمَهُ».
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে, তার জীবিকা বৃদ্ধি হোক অথবা তার মৃত্যুর পরে সুনাম থাকুক, তবে সে যেন আত্মীয়ের সঙ্গে সদাচরণ করে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৩৪ : ক্রয়-বিক্রয়, অধ্যায় ১৩, হাঃ ২০৬৭; মুসলিম, পর্ব ৪৫: সদাচরণ, আত্মীয়তার সম্পর্ক ও শিষ্টাচার, অধ্যায় ৬, হাঃ ২৫৫৭
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৬৫৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি পছন্দ করে তার জীবিকা বৃদ্ধি হোক অথবা মৃত্যুর পরে তার সুনাম থাকুক, সে যেন আত্মীয়ের সঙ্গে সদাচরণ করে। এখানে আত্মীয়তার সম্পর্ককে রিজিক ও ভালো স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত করে বলা হয়েছে। তবে এটিকে নিজের ইচ্ছামতো বড় দাবি বানানো ঠিক নয়; হাদিসে যতটুকু এসেছে, সেটুকুই বলা উচিত। আত্মীয়ের সঙ্গে সদাচরণ মানে খোঁজ নেওয়া, ভালো কথা বলা, সম্পর্ক বজায় রাখা এবং কষ্ট না দেওয়া। অনেক সময় সামান্য যোগাযোগও সম্পর্ককে ভালো রাখে। এই হাদিস আমাদের শেখায়, সিলাতুর রাহিম শুধু সামাজিক কাজ নয়; এটি দ্বীনীভাবে মূল্যবান আমল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আত্মীয়ের সঙ্গে সদাচরণ রিজিক প্রশস্ততার কারণ হতে পারে।
- ভালো সুনামের সঙ্গে ভালো সম্পর্কের যোগ আছে।
- সিলাতুর রাহিমকে নিয়মিত আমল হিসেবে দেখা উচিত।
- আত্মীয়দের সঙ্গে ভালো কথা ও যোগাযোগ সম্পর্ক টিকিয়ে রাখে।
