৩৪/১৩. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ২০৬৭ - আত্মীয়তার সম্পর্ক ও রিজিকের বরকত

যে ব্যক্তি উপার্জনে প্রশস্ততা চায়

আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা: রিজিক ও সুনামের হাদিস

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২০৬৭

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي يَعْقُوبَ الْكِرْمَانِيُّ، حَدَّثَنَا حَسَّانُ، حَدَّثَنَا يُونُسُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ «مَنْ سَرَّهُ أَنْ يُبْسَطَ لَهُ رِزْقُهُ أَوْ يُنْسَأَ لَهُ فِي أَثَرِهِ فَلْيَصِلْ رَحِمَهُ».‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি শুনেছি, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে, তার জীবিকা বৃদ্ধি হোক অথবা তার মৃত্যুর পরে সুনাম থাকুক, তবে সে যেন আত্মীয়ের সঙ্গে সদাচরণ করে।

সহীহ বুখারী হাদিস ২০৬৭-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করার বড় গুরুত্ব বলেছেন। আনাস ইবন মালিক (রাঃ) বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি চায় তার জীবিকা বৃদ্ধি হোক অথবা মৃত্যুর পর তার সুনাম থাকুক, সে যেন আত্মীয়ের সঙ্গে সদাচরণ করে। এখানে আত্মীয়তার সম্পর্ক মানে শুধু পরিচয় রাখা নয়; বরং ভালো ব্যবহার, খোঁজখবর নেওয়া এবং সম্পর্ক না ছিন্ন করা। হাদিসের ভাষায় রিজিক বৃদ্ধি ও সুনামের বিষয়টি আত্মীয়তার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। তাই পারিবারিক সম্পর্ককে অবহেলা করা ঠিক নয়। ইসলাম মানুষকে শুধু ব্যক্তিগত ইবাদতে সীমাবদ্ধ রাখে না; আত্মীয়ের প্রতি ভালো আচরণকেও জীবনের গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে শেখায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা ইসলামে গুরুত্বপূর্ণ আমল।
  • সদাচরণ পরিবার ও আত্মীয়তার বন্ধন মজবুত করে।
  • রিজিক ও সুনামের বিষয়ে হাদিসে আত্মীয়তার সম্পর্কের কথা এসেছে।
  • আত্মীয়দের সঙ্গে ভালো ব্যবহার ঈমানদার জীবনের অংশ।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন