৫১/১৩. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৮১৬ - সাইবা প্রথা চালুর পরিণতি
অত্যাচারী ও উদ্ধতরা জাহান্নামের আগুনে এবং দুর্বল ও বিনীতরা জান্নাতে প্রবেশ করবে।
সাইবা প্রথা: ভ্রান্ত রীতি চালুর ভয়াবহ পরিণতি
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৮১৬
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৮১৬
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: رَأَيْتُ عَمْرَو بْنَ عَامِرِ بْنِ لُحَيٍّ الْخُزَاعِيَّ يَجُرُّ قُصْبَهُ فِي النَّارِ، وَكَانَ أَوَّلَ مَنْ سَيَّبَ السَّوَائِبَ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেন, আমি ‘আম্র ইব্নু ‘আমির খুয‘আইকে তার বহির্গত নাড়ি-ভুঁড়ি নিয়ে জাহান্নামের আগুনে চলাফেরা করতে দেখেছি। সেই প্রথম ব্যক্তি যে সাইবা উৎসর্গ করার প্রথা প্রচলন করে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬১ : মর্যাদা ও গুণাবলী, অধ্যায় ৯, হাঃ ৩৫২১; মুসলিম, পর্ব ৫১ : জান্নাত, তার বিবরণ, আনন্দ-উপভোগ ও তার বাসিন্দা, অধ্যায় ১৩, হাঃ ২৮৫৬
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৮১৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির পরিণতির কথা বলেছেন। তিনি বলেন, তিনি আমর ইবনু আমির খুযাঈকে জাহান্নামের আগুনে নাড়ি-ভুঁড়ি টেনে চলাফেরা করতে দেখেছেন। কারণ সে ছিল প্রথম ব্যক্তি, যে সাইবা উৎসর্গ করার প্রথা চালু করেছিল। সাইবা প্রথা, জাহিলি রীতি এবং জাহান্নামের সতর্কতা—এই হাদিসের মূল বিষয়। হাদিসে শুধু এতটুকুই এসেছে, তাই এই প্রথার বিস্তারিত ইতিহাস বা বাড়তি ঘটনা এখানে যোগ করা ঠিক নয়। তবে সরাসরি বোঝা যায়, ধর্মের নামে ভুল রীতি চালু করা খুব গুরুতর ব্যাপার। মানুষ যদি নিজের খেয়ালখুশি বা সমাজের প্রথাকে সত্য ধর্মের মতো চালায়, তা বিপদের কারণ হতে পারে। এই হাদিস তাই ভুল রীতি থেকে সতর্ক থাকার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ভুল ধর্মীয় প্রথা চালু করা গুরুতর বিষয়।
- জাহিলি রীতিকে ধর্মের নামে মানা বিপদের কারণ হতে পারে।
- আল্লাহর নির্দেশ ছাড়া বানানো প্রথা থেকে সতর্ক থাকা উচিত।
