৫২/২৬. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৮৬১ - কিয়ামতের সময় নিকৃষ্ট মানুষের অবস্থা
কেয়ামতের নিকটবর্তী হওয়া।
কিয়ামতের আলামত: নিকৃষ্ট মানুষের জীবদ্দশায় কিয়ামত
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৮৬১
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৮৬১
حديث ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: مِنْ شِرَارِ النَّاسِ مَنْ تُدْرِكُهُمُ السَّاعَةُ وَهُمْ أَحْيَاءٌ
আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামত যাদের জীবদ্দশায় কায়েম হবে তারাই সবচেয়ে নিকৃষ্ট লোক।
সহীহ বুখারী, পর্ব ৯২: ফিতনা, অধ্যায় ৫, হাঃ ৭০৬৭; মুসলিম, পর্ব ৫২ : ফিতনা এবং তার অশুভ আলামতসমূহ, অধ্যায় ২৬, হাঃ ২৯৪৯
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৮৬১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো কিয়ামত এবং মানুষের শেষ সময়ের অবস্থা। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কিয়ামত যাদের জীবদ্দশায় কায়িম হবে, তারা নিকৃষ্ট লোক। এখানে আমাদের জন্য বড় একটি সতর্কবার্তা আছে। কিয়ামত কখন হবে, তা বলা হয়নি; বরং কিয়ামতের সময় মানুষের অবস্থা কেমন হবে, সেটি বলা হয়েছে। তাই এই হাদিস পড়ে ভয় ও ভাবনা দুটিই জাগে। একজন মুমিনের কাজ হলো নিজের ঈমান, আমল ও চরিত্র ঠিক রাখা। কিয়ামতের আলামত নিয়ে শুধু আলোচনা করলেই হবে না; নিজের জীবন কেমন যাচ্ছে, সেটিও দেখা দরকার। হাদিসটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, শেষ সময়ের ভয়াবহতা থেকে বাঁচার পথ হলো সৎ পথে থাকা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কিয়ামত একটি সত্য ঘটনা; তাই ঈমান ও আমলের বিষয়ে গাফিল হওয়া ঠিক নয়।
- শেষ সময়ের মানুষের খারাপ অবস্থা থেকে বাঁচতে নিজের চরিত্র ঠিক রাখা জরুরি।
- কিয়ামত নিয়ে কৌতূহলের চেয়ে নিজের প্রস্তুতির দিকে বেশি মন দেওয়া উচিত।
- হাদিসটি ভয় দেখানোর পাশাপাশি আত্মসমালোচনার দরজা খুলে দেয়।
