৫৩/০. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৮৭২ - নবী পরিবারের খাবারে সংযম
সংসারের প্রতি অনাসক্তি ও অন্তরের কোমলতা
সংযমী জীবন: নবী পরিবারের খাবারে খেজুরের ভূমিকা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৮৭২
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৮৭২
حديث عَائِشَةَ، قَالَتْ: مَا أَكَلَ آلُ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَكْلَتَيْنِ فِي يَوْمٍ، إِلاَّ إِحْدَاهُمَا تَمْرٌ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর পরিবার একদিনে যখনই দুবেলা খানা খেয়েছেন একবেলা শুধু খুরমা খেয়েছেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৮১: সদয় হওয়া, অধ্যায় ১৭, হাঃ ৬৪৫৫; মুসলিম, পর্ব ৫৩ : সংসারের প্রতি অনাসক্তি ও অন্তরের কোমলতা, অধ্যায়, সংসারের প্রতি অনাসক্তি ও অন্তরের কোমলতা, অধ্যায়, হাঃ ২৯৭১
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৮৭২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, মুহাম্মাদ (صلى الله عليه وسلم)-এর পরিবার একদিনে যখনই দুবেলা খাবার খেয়েছেন, একবেলা শুধু খেজুর খেয়েছেন। এটি নবী পরিবারের সরল জীবনের আরেকটি স্পষ্ট ছবি। তাঁদের খাবার ছিল সহজ, সীমিত এবং প্রয়োজনমাফিক। হাদিসটি আমাদের শেখায়, জীবনে বেশি খাবার, বেশি আয়োজন বা বেশি ভোগ থাকা জরুরি নয়। আসল বিষয় হলো হালাল, শোকর এবং আল্লাহর দেওয়া অবস্থায় সন্তুষ্ট থাকা। এই বর্ণনা পড়ে নিজের সুবিধাগুলোকে নতুনভাবে দেখা যায়। আমরা প্রতিদিন যে খাবার পাই, সেটাও বড় নেয়ামত। তাই অভিযোগ কমিয়ে কৃতজ্ঞতা বাড়ানো দরকার। সংযম মানে জীবন ছেড়ে দেওয়া নয়; বরং প্রয়োজন ও লোভের পার্থক্য বুঝে চলা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী পরিবারের খাবার ছিল খুব সহজ ও সংযমী।
- খেজুরের মতো সাধারণ খাবারও বড় নেয়ামত হতে পারে।
- অতিরিক্ত ভোগের বদলে শোকর ও সন্তুষ্টি জরুরি।
- খাবারের বিষয়ে অভিযোগ কমিয়ে কৃতজ্ঞতা বাড়ানো উচিত।
