৪/৭. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ২১৫ - আযানের জবাব দেওয়ার নিয়ম
মুয়াযযিনের অনুরূপ শব্দ বলা যে তা শ্রবণ করে, অতঃপর নবী (ﷺ)-এর উপর দরূদ পাঠ করা এরপর তার নিকট ওয়াসিলা চাওয়া।
আযানের জবাব দেওয়ার নিয়ম: মুয়াযযিন যা বলে তাই বলা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ২১৫
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ২১৫
حديث أَبِي سَعِيدٍ الْخدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: إِذَا سَمِعْتُمُ النِّدَاءَ فَقُولُوا مِثْلَ مَا يَقُولُ الْمُؤَذِّنُ
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমরা আযান শুনতে পাও তখন মুয়াজ্জিন যা বলে তোমরাও তার অনুরূপ বলবে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ১০; আযান, অধ্যায় ৭, হাঃ ৬১১; মুসলিম, পর্ব ৪ : সালাত, অধ্যায় ৭, হাঃ ৩৮৩
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ২১৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি ছোট হলেও আযানের সময় মুসলিমের আচরণ সুন্দরভাবে শেখায়। আল্লাহর রাসূল صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যখন তোমরা আযান শুনতে পাও, তখন মুয়াযযিন যা বলে তোমরাও তার অনুরূপ বলবে। অর্থাৎ আযান শুধু শোনার বিষয় নয়; শ্রোতারও একটি আমল আছে। আযানের জবাব দেওয়া, মুয়াযযিনের বাক্য অনুসরণ করা এবং সালাতের ডাককে গুরুত্ব দেওয়া—এসব শিক্ষা এখানে সরাসরি আছে। ‘আযানের জবাব কিভাবে দিতে হয়’—এ প্রশ্নের প্রধান কীওয়ার্ড এই হাদিসের সঙ্গে মেলে। ব্যাখ্যার সময় অতিরিক্ত দোয়া বা অন্য আমল আনলে তা আলাদা বর্ণনার বিষয় হবে; এই হাদিসে মূল নির্দেশ হলো মুয়াযযিনের কথার অনুরূপ বলা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আযান শুনলে চুপ থেকে মনোযোগ দেওয়ার সঙ্গে জবাব দেওয়ার আমল আছে।
- মুয়াযযিন যা বলে, শ্রোতাকে অনুরূপ বলতে বলা হয়েছে।
- সালাতের ডাককে গুরুত্ব দিয়ে গ্রহণ করা উচিত।
