৪/২. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ২১৪ - আযান ও ইকামাতের বাক্য
আজানের শব্দগুলো দুইবার এবং ইকামাতের শব্দগুলো একবার উচ্চারণ করার নির্দেশ।
আযান ও ইকামাতের বাক্য: বিলাল রা.-এর নির্দেশনা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ২১৪
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ২১৪
حديث أَنَسٍ، قَالَ: ذَكَرُوا النَّارَ وَالنَّاقُوسَ، فَذَكَرُوا الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى، فَأُمِرَ بِلاَلٌ أَنْ يَشْفَعَ الأَذَانَ وَأَنْ يُوتِرَ الإِقَامَةَ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, (জামা‘আতে সালাত আদায়ের জন্য) সাহাবা-ই কিরাম (রাঃ) আগুন জ্বালানো অথবা নাকূস বাজানোর কথা আলোচনা করেন। আবার এগুলোকে (যথাক্রমে) ইয়াহুদী ও নাসারাদের প্রথা বলে উল্লেখ করা হয়। অতঃপর বিলাল (রাঃ)-কে আযানের বাক্য দুইবার করে ও ইকামাতের বাক্য বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ১০ : আযান, অধ্যায় ১, হাঃ ৬০৩; মুসলিম, পর্ব ৪: সালাত, অধ্যায় ২, হাঃ ৩৭৮
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ২১৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জামা‘আতে সালাতের ডাক নিয়ে সাহাবীদের আলোচনা এসেছে। তাঁরা আগুন জ্বালানো বা নাকূস বাজানোর কথা বলেন। আবার এগুলোকে ইয়াহূদী ও নাসারাদের প্রথা বলেও উল্লেখ করা হয়। এরপর বিলাল রা.-কে আযানের বাক্য দুইবার করে এবং ইকামাতের বাক্য বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই হাদিসের মূল বিষয় হলো আযান ও ইকামাতের পদ্ধতি। এখানে কোনো দীর্ঘ ব্যাখ্যার দরকার নেই; বর্ণনাই প্রধান শিক্ষা দেয়। ‘আযানের বাক্য কয়বার’, ‘ইকামাতের বাক্য কয়বার’—এসব প্রশ্নে এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে এটি দেখায়, মুসলিমদের সালাতের ডাক আলাদা পরিচয় ও নিয়ম নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহাবীগণ সালাতের ডাক নিয়ে বিভিন্ন পদ্ধতি আলোচনা করেছিলেন।
- বিলাল রা.-কে আযানের বাক্য দুইবার করে বলতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
- ইকামাতের বাক্য বেজোড় করে বলার কথা হাদিসে এসেছে।
