১০/৩. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ৬০৭ - আজান ও ইকামতের সঠিক রূপ

“কাদ কামাতিস-সালাহ” ব্যতীত ইকামাতের শব্দগুলো একবার করে বলা।

আজান ও ইকামতের সঠিক রূপ: কদ কামাতিস সালাতু ছাড়া

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৬০৭

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ أُمِرَ بِلاَلٌ أَنْ يَشْفَعَ، الأَذَانَ، وَأَنْ يُوتِرَ الإِقَامَةَ. قَالَ إِسْمَاعِيلُ فَذَكَرْتُ لأَيُّوبَ فَقَالَ إِلاَّ الإِقَامَةَ.

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

বিলাল (রাঃ)-কে আযানের বাক্যগুলো দু’ দু’বার এবং ইক্বামাতের বাক্যগুলো বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়। ইসমাঈল (রহঃ) বলেন, আমি এ হাদীস আইয়ূবের নিকট বর্ণনা করলে তিনি বলেন, তবে ‘কাদ্‌কামাতিস্ সালাতু’ ছাড়া।

সহীহ বুখারী হাদিস ৬০৭-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে বিলাল (রাঃ)-কে দেওয়া নির্দেশ আবারও বর্ণিত হয়েছে। তাঁকে আজানের বাক্যগুলো দুইবার করে এবং ইকামতের বাক্যগুলো বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেওয়া হয়। ইসমাঈল (রহঃ) যখন এ হাদিস আইয়ূবের কাছে বলেন, তখন তিনি যোগ করেন যে, ‘কদ কামাতিস সালাতু’ বাক্যটি এর ব্যতিক্রম। হাদিসটি খুব ছোট হলেও সালাতের আহ্বানের নিয়ম বুঝতে গুরুত্বপূর্ণ। এতে বোঝা যায়, বর্ণনাকারীরা শব্দ ও নিয়ম সংরক্ষণে খুব সতর্ক ছিলেন। আজান ও ইকামত মুসলিম জীবনের নিয়মিত আমল; তাই এর বাক্য, সংখ্যা ও ধরন রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশ অনুসারে শেখা উচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আজান ও ইকামতের শব্দ সংরক্ষণে সাহাবী ও রাবীরা সতর্ক ছিলেন।
  • ইকামতের কিছু বাক্যে আলাদা নিয়ম আছে, যা হাদিসে এসেছে।
  • সালাতের আহ্বান শেখা মুসল্লিদের জন্য দরকারি জ্ঞান।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন