৪/১০. অধ্যায়ঃ

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ২১৯ - সালাতে উঠা-বসায় তাকবীর

সালাতের মধ্যে প্রত্যেক নিচু ও উঁচু হওয়ার সময় তাকবীর বলা শুধু রুকু থেকে মাথা উঠানোর সময় ব্যতীত, কেননা তখন ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলবে।

সালাতে উঠা-বসায় তাকবীর: আবূ হুরায়রা রা.-এর সালাত থেকে শিক্ষা

আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ২১৯

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ كَانَ يُصَلِّي بِهِمْ فَيُكَبِّرُ كلَّمَا خَفَضَ وَرَفَعَ، فَإِذَا انْصَرَفَ قَالَ: إِنِّي لأَشْبَهُكُمْ صَلاَةً بِرَسُولِ الله صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

আবূ সালামা (রহঃ) ও আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি তাদের সঙ্গে সালাত আদায় করতেন এবং প্রতিবার উঠা বসার সময় তাকবির বলতেন। সালাত শেষ করে তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে আমার সালাতই আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর সালাতের সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ।

সহীহুল বুখারী, পর্ব ১০; আযান, অধ্যায় ১১৫ হাঃ ৭৮৫; মুসলিম, পর্ব ৪ : সালাত, অধ্যায় ১০, হাঃ ৩৯২

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ২১৯-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আবূ হুরায়রা রা.-এর সালাতের পদ্ধতি এসেছে। তিনি লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন এবং প্রতিবার ওঠা-বসার সময় তাকবীর বলতেন। সালাত শেষ করার পর তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে আমার সালাতই আল্লাহর রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর সালাতের সঙ্গে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ। এই বর্ণনায় সালাতের চলাফেরার সঙ্গে তাকবীরের সম্পর্ক স্পষ্ট। রুকূ, সিজদা, ওঠা ও নামার সময় তাকবীর বলা সালাতের ভেতর মনোযোগ ধরে রাখতেও সাহায্য করে—এ কথা হাদিসের মূল ভাষা থেকে সরাসরি না এলেও আমলের ধারাবাহিকতা বোঝা যায়। ‘সালাতে তাকবীর কখন বলবে’ এবং ‘উঠা বসায় তাকবীর’—এসব কীওয়ার্ড এই হাদিসের সঙ্গে বেশি মেলে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আবূ হুরায়রা রা. সালাতে উঠা-বসার সময় তাকবীর বলতেন।
  • তিনি নিজের সালাতকে নবী صلى الله عليه وسلم-এর সালাতের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ বলেছেন।
  • সালাতের প্রতিটি অবস্থায় নিয়ম মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন