৪/১৮. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ২৩০ - ফেরেশতাদের সঙ্গে আমীন বলার ফজিলত
সালাতে ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ ও ‘রাব্বানা ওয়ালাকাল হামদ’ এবং আমীন বলা।
আমীন বলার ফজিলত: ফেরেশতাদের সঙ্গে মিলের শিক্ষা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ২৩০
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ২৩০
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِذَا قَالَ أَحَدُكُمْ آمِينَ، وَقَالَتِ الْمَلاَئِكَةُ فِي السَّمَاءِ آمِينَ، فَوَافَقَتْ إِحْداهُمَا الأُخْرَى؛ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ (সালাতে) ‘আমীন’ বলে, আর আসমানে ফেরেশতাগণ ‘আমীন’ বলেন এবং উভয়ের ‘আমীন’ একই সময় হলে, তার পূর্ববর্তী সব পাপসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ১০; আযান, অধ্যায় ১১২, হাঃ ৭৮১; মুসলিম, পর্ব ৪: সালাত, অধ্যায় ১৮, হাঃ ৪১০
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ২৩০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সালাতে ‘আমীন’ বলার ফজিলত বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন আমীন বলে, আর আসমানে ফেরেশতাগণও আমীন বলেন, এরপর উভয়ের আমীন একই সময় হলে তার পূর্বের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। এখানে মূল বিষয় হলো আমীন বলা, তবে তা সালাতের ভেতরের একটি সুন্দর মুহূর্তের সঙ্গে যুক্ত। মুসল্লি যখন আমীন বলে, সে আল্লাহর কাছে দোয়ার কবুল চাইছে। হাদিসে ফেরেশতাদের আমীনের কথা এসেছে, তাই এই ছোট শব্দটির মর্যাদা বোঝা যায়। তবে ব্যাখ্যায় বাড়তি দাবি না করে বলা যায়, নবী صلى الله عليه وسلم এই আমলের জন্য বড় ফজিলত জানিয়েছেন। তাই সালাতে আমীন বলা মনোযোগের সঙ্গে হওয়া দরকার। তাই আমীন বলাকে ছোট মনে না করে, সালাতের ভেতরে সচেতনভাবে বলা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতে আমীন বলা নবী صلى الله عليه وسلم-এর বর্ণনায় বড় ফজিলতের আমল।
- ফেরেশতাদের আমীনের সঙ্গে মিল হওয়ার কথা হাদিসে এসেছে।
- আমীন বলার সময় মনোযোগ রাখা মুসল্লির জন্য ভালো।
