৪/২৪. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ২৪৫ - সালাতে খুশু ও রুকূর প্রতি সতর্কতা
সালাত সুন্দরভাবে পূর্ণভাবে আদায় করার এবং সালাতে বিনয়ী হওয়ার নির্দেশ।
সালাতে খুশু: রুকূ ও বিনয়ের প্রতি নবীজির সতর্ক শিক্ষা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ২৪৫
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ২৪৫
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: هَلْ تَرَوْنَ قِبْلَتِي ههُنَا فَوَاللهِ مَا يَخْفَى عَلَيَّ خُشُوعُكُمْ وَلاَ رُكُوعُكْم، إِنِّي لأَرَاكُمْ مِنْ وَرَاءِ ظَهْرِي
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা কি মনে কর যে, আমার দৃষ্টি (কেবল) কেবলার দিকে? আল্লাহ্র কসম! আমার নিকট তোমাদের খূশু’ (বিনয়) ও রুকূ’ কিছুই গোপন থাকে না। অবশ্যই আমি আমার পেছন হতেও তোমাদের দেখতে পাই।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৮ অধ্যায় ৪০, হাঃ ৪১৮; মুসলিম, পর্ব ৪ সালাত, অধ্যায় ২৪, হাঃ ৪২৪
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ২৪৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) সাহাবীদের সালাতের খুশু ও রুকূ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, তোমরা কি মনে করো আমার দৃষ্টি শুধু কিবলার দিকে? আল্লাহর কসম, তোমাদের খুশু ও রুকূ আমার কাছে গোপন থাকে না। তিনি আরও বলেন, তিনি পেছন দিক থেকেও তাদের দেখতে পান। এই বর্ণনায় সালাতের ভেতরের মনোযোগ, বিনয় এবং রুকূর গুরুত্ব স্পষ্টভাবে এসেছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সালাত শুধু বাহ্যিক দাঁড়ানো, রুকূ ও সিজদা নয়; বরং তাতে বিনয় ও মনোযোগ থাকা দরকার। নবী (صلى الله عليه وسلم) সাহাবীদের সামনে এমনভাবে বললেন, যাতে তারা সালাতে আরও সতর্ক হয়। তাই সালাতে খুশু, রুকূ ঠিক করা এবং জামাআতে নিজের অবস্থার দিকে খেয়াল রাখা এই হাদিসের মূল বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতে খুশু বা বিনয় রাখার দিকে মনোযোগ দেওয়া দরকার।
- রুকূ ঠিকভাবে আদায় করা সালাতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- জামাআতের সালাতে নিজের আমলকে হালকা মনে করা উচিত নয়।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) সাহাবীদের সালাতে সতর্ক ও মনোযোগী হতে শেখিয়েছেন।
