৫/১৬. অধ্যায়ঃ

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৩২৯ - ইকামাত হলেও আগে রাতের খাবার

খাবার উপস্থিত হলে সালাত অপছন্দনীয়।

ইকামাত হয়ে গেলে খাবার আগে, কেন?

আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৩২৯

حديث عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ: إِذَا وُضِعَ الْعَشَاءُ وَأُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَابْدَءُوا بِالْعَشَاءِ

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যখন রাতের খাবার উপস্থিত করা হয়, আর সে সময় সালাতের ইক্বামাত হয়ে যায়, তখন প্রথমে খাবার খেয়ে নাও।

সহীহুল বুখারী, পর্ব ১০ : আযান, অধ্যায় ৪২, হাঃ ৬৭১; মুসলিম, পর্ব ৫: মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহের বর্ণনা, অধ্যায় ১৬, হাঃ ৫৬০

অনুবাদের উৎস

সংকলক:
ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
প্রকাশক:
তাওহীদ পাবলিকেশন্স
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৩২৯-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যখন রাতের খাবার উপস্থিত করা হয় আর সে সময় সালাতের ইকামাত হয়ে যায়, তখন প্রথমে খাবার খেয়ে নিতে হবে। হাদিসের ভাষা সহজ এবং নির্দিষ্ট। খাবার সামনে আছে, ইকামাতও হয়ে গেছে—এমন অবস্থায় আগে খাবার খাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে সালাতের প্রতি অবহেলা নেই; বরং সালাতে মনোযোগ রক্ষার দিক আছে। মানুষ ক্ষুধার্ত থাকলে বা খাবার সামনে থাকলে মন বারবার খাবারের দিকে যেতে পারে। খাবার উপস্থিত হলে সালাতের হাদিস আমাদের শেখায়, ইবাদত স্থির মনে করা উচিত। তবে এই শিক্ষা হাদিসের নির্দিষ্ট অবস্থার মধ্যে বুঝতে হবে, অকারণে সালাত বিলম্ব করার জন্য নয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রাতের খাবার উপস্থিত হলে ইকামাত হলেও আগে খাবার খেতে বলা হয়েছে।
  • সালাতে মনকে অস্থির করে এমন অবস্থা এড়ানো দরকার।
  • হাদিসের নির্দেশ নির্দিষ্ট পরিস্থিতির সাথে সম্পর্কিত।
  • ইবাদত মনোযোগ ও স্থিরতার সাথে করা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন