৬/১. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৩৯৮ - সফরের সালাত দুই রাকআত
মুসাফির ব্যক্তির সালাত ও তা কসর করা।
সফরের সালাতের মূল ভিত্তি: দুই রাকআতের বর্ণনা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৩৯৮
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৩৯৮
حديث عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ قَالَتْ: فَرَضَ اللهُ الصَّلاَةَ حِينَ فَرَضَهَا رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ فِي الْحَضَرِ وَالسَّفَرِ، فَأُقِرَّتْ صَلاَةُ السَّفَرِ، وَزِيدَ فِي صَلاَةِ الْحَضَرِ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহ তা’আলা মুকীম অবস্থায় ও সফরে দুই রাক’আত করে সালাত ফরজ করেছিলেন। পরে সফরের সালাত আগের মত রাখা হয় আর মুকীম অবস্থার সালাত বাড়িয়ে দেয়া হয়।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৮ : সালাত, অধ্যায় ১, হাঃ ৩৫০; মুসলিম, পর্ব ৬; মুসাফির ব্যক্তির সালাত ও তা কসর করার বর্ণনা, অধ্যায় ১, হাঃ ৬৮৫
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৩৯৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) সালাত ফরজ হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, আল্লাহ মুকীম অবস্থায় ও সফরে দুই রাকআত করে সালাত ফরজ করেছিলেন। পরে সফরের সালাত আগের মতো রাখা হয়, আর মুকীম অবস্থার সালাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এখানে মূল বিষয় হলো সফরের সালাত, কসর নামাজ, মুকীমের সালাত এবং রাকআতের সংখ্যা। হাদিসে কোনো বিস্তারিত সফরের দূরত্ব বা সব বিধানের আলোচনা নেই; শুধু সালাতের রাকআত নিয়ে একটি মৌলিক তথ্য এসেছে। তাই ব্যাখ্যায় সীমা রাখা জরুরি। এই বর্ণনা মুসাফিরের সালাতের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে সফরের সালাত সংক্ষিপ্ত থাকার কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। একজন মুসলিমের জন্য শিক্ষা হলো, সালাতের বিধান আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত এবং তা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর বর্ণনার মাধ্যমে জানা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সফরের সালাত দুই রাকআত হিসেবে রাখা হয়েছে—এ বর্ণনায় তা এসেছে।
- মুকীম অবস্থার সালাত পরে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
- সালাতের রাকআত বিষয়ে নববী বর্ণনা অনুসরণ করা দরকার।
