৯/১. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৫১৬ - ইসতিসকায় হাত তুলে দোয়া
ইসতিস্কা সালাতে দোয়ার সময় হস্তদ্বয় উত্তোলন।
ইসতিসকায় হাত তুলে দোয়া: নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমল
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৫১৬
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৫১৬
حديث أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لاَ يَرْفَعُ يَدَيْهِ فِي شَيْءٍ مِنْ دُعَائِهِ إِلاَّ فِي الاِسْتِسْقَاءِ، وَإِنَّهُ يَرْفَعُ حَتَّى يُرَى بَيَاضُ إِبْطَيْهِ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ইসতিস্কা ব্যতীত অন্য কোথাও দু‘আর মধ্যে হাত উঠাতেন না। তিনি হাত এতটুকু উপরে উঠাতেন যে, তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যেত।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ১৫; পানি প্রার্থনা, অধ্যায় ২২, হাঃ ১০৩১; মুসলিম, পর্ব ৯ : পানি প্রার্থনার সালাত, অধ্যায় ১, হাঃ ৮৯৫
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৫১৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো ইসতিসকার সময় হাত তুলে দোয়া করা। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, নবী صلى الله عليه وسلم তাঁর দোয়ার মধ্যে ইসতিসকা ছাড়া অন্য কোথাও এভাবে হাত উঠাতেন না। তিনি হাত এত উঁচু করতেন যে তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যেত। এখানে বর্ণনাটি বিশেষভাবে বৃষ্টির জন্য দোয়ার সঙ্গে যুক্ত। তাই ব্যাখ্যায় এটিকে সাধারণ সব দোয়ার নিয়ম হিসেবে বাড়িয়ে বলা ঠিক নয়। হাদিসটি আমাদের শেখায়, দুর্ভিক্ষ বা বৃষ্টির প্রয়োজনের সময় নবী صلى الله عليه وسلم আল্লাহর কাছে গভীরভাবে দোয়া করতেন। হাত তোলার ভঙ্গি এখানে দোয়ার গভীরতা ও প্রয়োজনের তীব্রতা বোঝায়। “ইসতিসকায় হাত তুলে দোয়া” বিষয়ে এটি সরাসরি ও সংক্ষিপ্ত দলিল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইসতিসকার দোয়ায় নবী صلى الله عليه وسلم হাত উঁচু করে তুলেছেন।
- হাত তোলার বর্ণনা বৃষ্টির জন্য দোয়ার সঙ্গে বিশেষভাবে এসেছে।
- কঠিন প্রয়োজনের সময় আল্লাহর কাছে বিনয়ের সঙ্গে দোয়া করা উচিত।
