১২/২৭. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬০৪ - স্ত্রীর নফল রোজার বিধান
যে ব্যক্তি এক সঙ্গে সদকা ও উত্তম আমলসমূহ করল।
নফল রোজা ও স্বামীর অনুমতি: হাদিসের সহজ শিক্ষা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৬০৪
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৬০৪
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لاَ تَصُومُ الْمَرْأَةُ، وَبَعْلُهَا شَاهِدٌ، إِلاَّ بإِذْنِهِ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, কোন স্ত্রী স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ব্যতীত নফল রোযা রাখবে না।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬৭: বিবাহ, অধ্যায় ৮৪, হাঃ ৫১৯২; মুসলিম, পর্ব ১২: যাকাত, অধ্যায় ২৫, হাঃ ১০২৬।
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬০৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নফল রোজা সম্পর্কে একটি নির্দিষ্ট পারিবারিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, কোনো স্ত্রী তার স্বামী উপস্থিত থাকলে তাঁর অনুমতি ছাড়া নফল রোজা রাখবে না। এখানে মূল বিষয় হলো নফল ইবাদত এবং দাম্পত্য দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য রাখা। হাদিসে ফরজ রোজার কথা বলা হয়নি; বরং নফল রোজার কথা বলা হয়েছে। তাই এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, পরিবারের অধিকারকে অবহেলা করে অতিরিক্ত ইবাদত করা ঠিক নয়। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক পারস্পরিক বোঝাপড়া, সম্মান ও দায়িত্বের উপর দাঁড়িয়ে থাকে। নফল রোজার বিধান নিয়ে আলোচনা করলে এই হাদিসটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- স্বামী উপস্থিত থাকলে নফল রোজার আগে অনুমতি নিতে বলা হয়েছে।
- নফল ইবাদতের সঙ্গে পারিবারিক দায়িত্বের ভারসাম্য রাখতে হয়।
- হাদিসটি ফরজ রোজা নয়, নফল রোজা বিষয়ে কথা বলেছে।
- দাম্পত্য জীবনে পরামর্শ ও সম্মান গুরুত্বপূর্ণ।
