১৩/১২. অধ্যায়ঃ

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৭৬ - রোজায় চুমু ও প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণ

রোজা অবস্থায় (স্ত্রীকে) চুম্বন দেয়া হারাম নয়, যদি কেউ কামাবেগে উত্তেজিত না হয়।

রোজা অবস্থায় চুমু ও গা লাগানো: নিয়ন্ত্রণের শিক্ষা

আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৬৭৬

حديث عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُقَبِّلُ وَيُبَاشِرُ وَهُوَ صَائمٌ، وَكَانَ أَمْلَكَكُمْ لإِرْبِهِ

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নবী (ﷺ) সওমের অবস্থায় চুমু খেতেন এবং গায়ে গা লাগাতেন। তবে তিনি তাঁর প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণে তোমাদের চেয়ে অধিক সক্ষম ছিলেন।

সহীহুল বুখারী, পর্ব ৩০ : সওম, অধ্যায় ২৩, হাঃ ১৯২৭; মুসলিম, পর্ব ১৩: সওম, অধ্যায় ১২, হাঃ ১১০৬

অনুবাদের উৎস

সংকলক:
ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
প্রকাশক:
তাওহীদ পাবলিকেশন্স
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৭৬-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আয়িশাহ (রাঃ) জানান, নবী صلى الله عليه وسلم সওম অবস্থায় চুমু খেতেন এবং গায়ে গা লাগাতেন। তবে তিনি আরও বলেন, তিনি তাঁর প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণে তোমাদের চেয়ে অধিক সক্ষম ছিলেন। এই শেষ বাক্যটি বিষয়টি বোঝার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হাদিসে শুধু কাজের উল্লেখ নেই; নিয়ন্ত্রণের কথাও স্পষ্টভাবে আছে। তাই ‘রোজা অবস্থায় চুমু জায়েজ কি’ ধরনের প্রশ্নে এই হাদিস পড়লে সতর্কভাবে বুঝতে হবে। হাদিসের আলোকে বলা যায়, নবী صلى الله عليه وسلم-এর ক্ষেত্রে যা ঘটেছে তা তাঁর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের সাথে ছিল। সাধারণ মানুষের জন্য নিজের অবস্থা, নিয়ন্ত্রণ ও রোজা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা বিবেচনা করা জরুরি—এটি হাদিসের ভাষা থেকেই বোঝা যায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবী صلى الله عليه وسلم রোজা অবস্থায় চুমু দিতেন ও গায়ে গা লাগাতেন।
  • তিনি প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণে বেশি সক্ষম ছিলেন—এ কথা হাদিসে স্পষ্ট।
  • রোজাদারের জন্য নিজের নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন