১৩/১২. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৭৫ - রোজা অবস্থায় স্ত্রীর প্রতি স্নেহ
রোজা অবস্থায় (স্ত্রীকে) চুম্বন দেয়া হারাম নয়, যদি কেউ কামাবেগে উত্তেজিত না হয়।
রোজা অবস্থায় চুমু: আয়িশাহ (রাঃ)-এর বর্ণনার সহজ ব্যাখ্যা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৬৭৫
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৬৭৫
حديث عَائِشَةَ، قَالَتْ: إِنْ كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيُقَبِّلُ بَعْضَ أَزْوَاجِهِ وَهُوَ صَائمٌ؛ ثُمَّ ضَحِكَتْ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, সায়িম অবস্থায় নবী (ﷺ) তাঁর কোন কোন স্ত্রীকে চুমু খেতেন। (এ কথা বলে) ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হেসে দিলেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৩০; সওম, অধ্যায় ২৪, হাঃ ১৯২৮; মুসলিম, পর্ব ১৩: সওম, অধ্যায় ১২, হাঃ ১১০৬
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৭৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো রোজা অবস্থায় স্ত্রীর প্রতি স্নেহ প্রকাশের একটি বর্ণনা। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, সায়িম অবস্থায় নবী صلى الله عليه وسلم তাঁর কোনো কোনো স্ত্রীকে চুমু খেতেন। এরপর তিনি হেসে দেন। হাদিসে শুধু এই ঘটনাটুকু এসেছে; এখানে সবার জন্য বিস্তারিত বিধান বা শর্ত আলাদা করে বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যায় সতর্ক থাকা দরকার। একই বিষয়ের কাছের আরেক বর্ণনায় প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণের কথা এসেছে, যা বিষয়টি বুঝতে সাহায্য করে। এই হাদিস ‘রোজা অবস্থায় চুমু’ বিষয়ে মানুষের সাধারণ প্রশ্নের সাথে যুক্ত। মূল শিক্ষা হলো, রোজা শুধু বাহ্যিক দূরত্বের নাম নয়; তবে রোজাদারের নিজের নিয়ন্ত্রণ ও সতর্কতা গুরুত্বপূর্ণ—এ কথা সংশ্লিষ্ট বর্ণনাগুলো থেকে বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আয়িশাহ (রাঃ) নবী صلى الله عليه وسلم-এর রোজা অবস্থার একটি ঘটনা বর্ণনা করেছেন।
- হাদিসে স্ত্রীর প্রতি স্নেহ প্রকাশের কথা এসেছে।
- এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে হলে হাদিসের সীমার ভেতরে থাকা দরকার।
