১৫/৯৭. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৮৮৩ - কুবা মসজিদে যাওয়ার সুন্নাহ
কুবা মসজিদ ও সেখানে সালাত আদায়ের ফাযায়েল এবং তা জিয়ারত করা।
কুবা মসজিদে যাওয়ার সুন্নাহ: নবী صلى الله عليه وسلم-এর সহজ আমল
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৮৮৩
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৮৮৩
حديث ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْتِي قُبَاءً رَاكِبًا وَمَاشِيًا
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) আরোহণ করে কিংবা পায়ে হেঁটে 'কুবা' মসজিদে আসতেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ২০: মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা, অধ্যায় ৪, হাঃ ১১৯৪; মুসলিম, পর্ব ১৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ৯৭, হাঃ ১৩৯৯
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৮৮৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো কুবা মসজিদে যাওয়ার সুন্নাহ। ইবনু উমর রাঃ বর্ণনা করেছেন, নবী صلى الله عليه وسلم কখনো সওয়ারিতে চড়ে, আবার কখনো পায়ে হেঁটে কুবা মসজিদে আসতেন। এই ছোট বর্ণনার মধ্যে একটি সুন্দর শিক্ষা আছে। নবী صلى الله عليه وسلم একটি নির্দিষ্ট মসজিদে যেতেন, কিন্তু যাতায়াতের পদ্ধতিতে কষ্ট চাপিয়ে দেননি। কখনো বাহনে, কখনো হেঁটে—পরিস্থিতি অনুযায়ী সহজভাবে গিয়েছেন। তাই কুবা মসজিদে যাওয়া, মসজিদের সাথে সম্পর্ক রাখা এবং নেক আমলে সহজতা রাখা—এসব বিষয় এখানে বোঝা যায়। হাদিসে দুই রকম যাওয়ার কথা এসেছে, তাই একটিকে একমাত্র পদ্ধতি বলা ঠিক হবে না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم কুবা মসজিদে যেতেন—এতে কুবা মসজিদের মর্যাদা বোঝা যায়।
- ভালো কাজে কখনো হাঁটা, কখনো সওয়ারি—দুইভাবেই সহজতা আছে।
- মসজিদের সাথে নিয়মিত সম্পর্ক রাখা সুন্দর আমল।
- হাদিসে যা এসেছে, সেটুকু মেনে ভারসাম্যপূর্ণভাবে আমল করা উচিত।
