১৭/১০. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৯২৩ - সন্তান শয্যাধিপতির—একটি সংক্ষিপ্ত নসব নীতি
বিছানা যার সন্তান তার এবং সন্দেহ থেকে বেঁচে থাকা।
সন্তান শয্যাধিপতির: নসব নির্ধারণের সংক্ষিপ্ত হাদিস
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৯২৩
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৯২৩
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: الْوَلَدُ لِصَاحِبِ الْفِرَاشِ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ সন্তান হল শয্যাধিপতির।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৮৫: ফারায়িয, অধ্যায় ১৮, হাঃ ৬৭৫০; মুসলিম, পর্ব ১৭: দুগ্ধপান, অধ্যায়, হাঃ ১৪৫৮
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৯২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি ছোট, কিন্তু এর শিক্ষা বড়। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, সন্তান শয্যাধিপতির। অর্থাৎ সন্তান কার সঙ্গে যুক্ত হবে—এ বিষয়ে শরিয়তে একটি নীতি আছে। বংশ বা নসবের ব্যাপারে মানুষের আবেগ, সন্দেহ, বা বাহ্যিক মিল সব সময় যথেষ্ট নয়। পরিবারের মর্যাদা, সন্তানের পরিচয় এবং সামাজিক অধিকার—এসবের সঙ্গে বংশের বিষয় গভীরভাবে জড়িত। তাই হাদিসটি মানুষকে একটি স্থির নিয়মের দিকে ফিরিয়ে দেয়। এটি একই সঙ্গে সতর্ক করে যে, সম্পর্ক ও অধিকার নিয়ে তাড়াহুড়া করে দাবি করা ঠিক নয়। নসবের হাদিস হিসেবে এটি খুব বেশি খোঁজা হয়, কারণ এখানে নবী (صلى الله عليه وسلم) অল্প কথায় পারিবারিক আইনের একটি মূল দিক জানিয়ে দিয়েছেন। এই শিক্ষা বাস্তব জীবনে পরিবার, সম্পর্ক ও সিদ্ধান্তকে আরও সতর্কভাবে দেখতে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সন্তানের বংশ নির্ধারণে শরিয়তের নির্দিষ্ট নীতি আছে।
- নসবের বিষয়ে সন্দেহ বা আবেগকে মূল ভিত্তি বানানো ঠিক নয়।
- পরিবারের অধিকার ও পরিচয় রক্ষায় নিয়ম মানা জরুরি।
- অল্প কথার হাদিসেও বড় আইনি শিক্ষা থাকতে পারে।
