২১/১. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৯৬৬ - ঈদের সওম ও নিষিদ্ধ বেচাকেনা
স্পর্শ ও নিক্ষেপের মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় বাতিল হওয়া।
ঈদের সওম ও মুলামাসাহ-মুনাবাযাহ বিক্রি নিষেধের হাদিস
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৯৬৬
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৯৬৬
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: يُنْهى عَنْ صِيَامَيْنِ وَبَيْعَتَيْنِ؛ الْفِطْرِ وَالنَّحْرِ، وَالْمُلاَمَسَةِ وَالْمُنَابَذَةِ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
দুই (দিনের) সওম ও দুই (প্রকারের) ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করা হয়েছে, ঈদুল ফিতর ও কুরবানীর (দিনের) সওম এবং মুলামাসাহ ও মুনাবাযাহ (পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয়) হতে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৩০; সওম, অধ্যায় ৬৭, হাঃ ১৯৯৩; মুসলিম, পর্ব ২১: ক্রয়-বিক্রয়, অধ্যায় ১, হাঃ ১৫১১
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৯৬৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো ঈদের সওম ও নিষিদ্ধ ক্রয়-বিক্রয়। এখানে দুই দিনের সওম থেকে নিষেধ করা হয়েছে: ঈদুল ফিতর ও কুরবানির দিন। একই সঙ্গে দুই ধরনের বেচাকেনা থেকেও নিষেধ করা হয়েছে: মুলামাসাহ ও মুনাবাযাহ। অর্থাৎ হাদিসটি ইবাদত ও লেনদেন—দুই দিকেই সীমা শেখায়। ঈদের দিন আনন্দ, কৃতজ্ঞতা ও শরীয়তের নির্দেশ মানার দিন; তাই সেখানে সওম রাখা থেকে নিষেধ এসেছে। আবার বেচাকেনায় এমন পদ্ধতি নিষিদ্ধ, যেখানে পণ্য স্পষ্টভাবে দেখা বা বুঝে সম্মতি দেওয়া থাকে না। এই হাদিস সহজভাবে বলে, ইবাদতেও নিয়ম আছে, বাজারেও নিয়ম আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঈদুল ফিতরের দিনে সওম রাখা নিষিদ্ধ।
- কুরবানির দিনের সওম থেকেও নিষেধ করা হয়েছে।
- মুলামাসাহ ও মুনাবাযাহ পদ্ধতির বিক্রি নিষিদ্ধ।
- ইবাদত ও লেনদেন—দুই ক্ষেত্রেই শরীয়তের সীমা মানতে হয়।
