৪/২৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১০৭১-[২০] - খাবার বা কারণে সালাত দেরি নয়
জামাত ও তার ফজিলত সম্পর্কে - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
খাবার বা অন্য কারণে সালাত দেরি না করার শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১০৭১-[২০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১০৭১-[২০]
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: لَا تُؤَخِّرُوا الصَّلَاةَ لِطَعَامٍ وَلَا لِغَيْرِه. رَوَاهُ فِي شَرْحِ السُّنَّةِ
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ আহার বা অন্য কোন কারণে সালাতে দেরি করবে না। (শারহুস্ সুন্নাহ্) [১]
[১] য‘ঈফ : আবূ দাঊদ ৩৭৫৮, য‘ঈফ আল জামি‘ ৬১৮২। কারণ এর সানাদে মুহাম্মাদ বিন মায়মূন আয্ যা‘ফারানী একজন বিতর্কিত রাবী। ইমাম বুখারী (রহঃ) তাকে মুনকারুল হাদীস বলেছেন।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১০৭১-[২০]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সংক্ষিপ্ত কিন্তু স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন: আহার বা অন্য কোনো কারণে সালাতে দেরি করবে না। হাদিসটির মূল শিক্ষা হলো, সালাতের সময়কে গুরুত্ব দেওয়া। দৈনন্দিন জীবনে খাবার, কাজ বা নানা ব্যস্ততা মানুষের সামনে আসে। কিন্তু সালাতের ওয়াক্ত এসে গেলে সেটিকে হালকা করে দেখা উচিত নয়। “ওয়াক্তমতো সালাত”, “খাবারের কারণে নামাজ দেরি” এবং “সালাত দেরি করা” এই হাদিসের প্রধান কীওয়ার্ড। এখানে কোনো অতিরিক্ত ব্যাখ্যা যোগ না করে বলা যায়, মুসলিমের জীবনে সালাতের সময় এমন একটি বিষয়, যা অযথা পিছিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আহারের কারণে সালাত দেরি করতে নিষেধ করা হয়েছে।
- অন্য সাধারণ কারণেও সালাত পিছিয়ে না দেওয়ার শিক্ষা আছে।
- ওয়াক্তমতো সালাত আদায়কে গুরুত্ব দিতে হবে।
- দৈনন্দিন কাজের ভিড়ে সালাতকে অবহেলা করা উচিত নয়।
