৪/২৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১০৭৭-[২৬] - আযানের ডাকে সাড়া দেওয়ার গুরুত্ব
জামাত ও তার ফজিলত সম্পর্কে - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
আযানের ডাকে সাড়া দেওয়ার নববী শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১০৭৭-[২৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১০৭৭-[২৬]
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؓ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ: «مَنْ سَمِعَ النِّدَاءَ فَلَمْ يُجِبْهُ فَلَا صَلَاةَ لَه إِلَّا مِنْ عُذْرٍ». رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে লোক আজানের শব্দ শুনল অথচ এর জবাব দিলো না তাহলে তার সালাত হলো না। তবে কোন ওজর থাকলে ভিন্ন কথা। (দারাকুত্বনী) [১]
[১] সহীহ : ইবনু মাজাহ্ ৭৯৩, সহীহ আত্ তারগীব ৪২১, দারাকুত্বনী ১৫৫৫।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১০৭৭-[২৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে আযানের শব্দ শুনল অথচ তার জবাব দিল না, তার সালাত হলো না; তবে ওযর থাকলে ভিন্ন কথা। এখানে “জবাব” বলতে আযানের ডাকে সাড়া দিয়ে সালাতে উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। হাদিসটি বিনা ওযরে অবহেলার বিরুদ্ধে শক্ত সতর্কতা দেয়। একই সঙ্গে ওযর থাকলে আলাদা অবস্থার কথাও বলা হয়েছে। তাই “আযানের ডাকে সাড়া”, “আযান শুনেও না যাওয়া” এবং “ওযর থাকলে” এই হাদিসের প্রধান সার্চ কীওয়ার্ড। হাদিসটি মুসলিমকে শেখায়, আযান কেবল শব্দ নয়; এটি সালাতের দিকে ডাকে, আর সেই ডাকে যত্নের সঙ্গে সাড়া দেওয়া উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আযানের ডাকে সাড়া দেওয়ার গুরুত্ব এসেছে।
- ওযর ছাড়া আযান শুনে সাড়া না দেওয়ার ব্যাপারে সতর্কতা আছে।
- ওযর থাকলে ভিন্ন অবস্থার কথা হাদিসে উল্লেখ আছে।
- আযান মুসলিমকে সালাতের দিকে ডাকার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
