৪/২৪. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১০৯৯-[১৫] - কাতারে কাঁধ নমনীয় রাখা
সালাতের কাতার সোজা করা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
সালাতে কাঁধ নমনীয় রাখার আদব
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১০৯৯-[১৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১০৯৯-[১৫]
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: «خِيَارُكُمْ أَلْيَنُكُمْ مَنَاكِبَ فِي الصَّلَاةِ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন : যারা সালাতের মাঝে নিজেদের কাঁধগুলো নমনীয় রাখে, তোমাদের মাঝে তারাই ভাল। (আবূ দাঊদ) [১]
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ৬৭২, মুসনাদে বাযযার ৫১৯৫, সহীহাহ্ ২৫৩৩, সহীহ আত্ তারগীব ৪৯৭, সহীহ আল জামি‘ ৩২৬৪।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১০৯৯-[১৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, সালাতের মধ্যে যারা নিজেদের কাঁধ নমনীয় রাখে, তোমাদের মধ্যে তারাই ভালো। হাদিসটির মূল শিক্ষা কাতারের আদবের সঙ্গে জড়িত। কাতারে দাঁড়ানোর সময় পাশে থাকা মুসল্লি যদি কাতার মিলাতে চায়, তখন কাঁধ শক্ত করে রাখা বা বিরক্ত হওয়া ঠিক নয়। বরং নমনীয় আচরণ করলে কাতার সোজা করা সহজ হয়। এই বর্ণনায় দীর্ঘ বিধান নেই, তবে পরিষ্কারভাবে বোঝা যায় যে, সালাতে মুসল্লিদের মধ্যে সহযোগিতা দরকার। কাঁধ নমনীয় রাখা মানে কাতারের শৃঙ্খলায় সাহায্য করা। তাই নামাজে কাতার ঠিক করার সময় রাগ, ধাক্কাধাক্কি বা বিরক্তি না দেখিয়ে শান্তভাবে দাঁড়ানো উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতে কাঁধ নমনীয় রাখা ভালো গুণ।
- কাতার মিলাতে পাশে থাকা মুসল্লিকে সহযোগিতা করা উচিত।
- নামাজে শান্ত ও নম্র আচরণ কাতার ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
