১/৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১২-[৩৪] - জীবন্ত কবর দেওয়ার কঠোর সতর্কতা
তাকদীরের প্রতি ঈমান - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
কন্যা সন্তান জীবন্ত কবর দেওয়ার হাদিস
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১১২-[৩৪]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১১২-[৩৪]
وَعَنْ ابْنِ مَسْعُوْدٍ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ الْوَائِدَةُ وَالْمَوْءُودَةُ فِي النَّارِ. رَوَاهُ أَبُوْ دَاوٗدَ وَالتِّرْمِذِيُّ
ইবনে মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি নিজের কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেয় এবং যে মেয়েকে কবর দেয়া হয়, উভয়ই জাহান্নামী। [১]
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ৪০৯৪, সহীহুল জামি‘ ৭১৪২। হাদীসটির অনেকগুলো সানাদ রয়েছে যার কয়েকটি দুর্বল হলেও বাকীগুলো সহীহ। অতএব নিঃসন্দেহে হাদীসটি সহীহ।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১২-[৩৪]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজের কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেয় এবং যে মেয়েকে কবর দেওয়া হয়—উভয়ই জাহান্নামী। হাদিসের বাক্য খুব সংক্ষিপ্ত এবং কঠোর। তাই ব্যাখ্যায় আমাদের সতর্ক থাকা দরকার; এখানে বিস্তারিত কারণ বা আলাদা কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। সরাসরি যে বিষয়টি স্পষ্ট, তা হলো কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেওয়ার মতো জাহিলি কাজের ব্যাপারে ভয়াবহ সতর্কতা এসেছে। মানুষের জীবন, বিশেষ করে দুর্বল শিশুর জীবন নিয়ে নিষ্ঠুরতা ইসলামে গ্রহণযোগ্য নয়। এই হাদিস পাঠের সময় অতিরিক্ত গল্প বা নিজের মত যোগ না করে মূল সতর্কতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেওয়া ভয়াবহ অপরাধ।
- হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও সতর্কতা অত্যন্ত কঠোর।
- শিশুর জীবন নিয়ে নিষ্ঠুরতা থেকে দূরে থাকতে হবে।
- হাদিসের বাইরে অতিরিক্ত ব্যাখ্যা না করে মূল কথায় থাকা দরকার।
