৪/২৬. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১২৭-[৯] - সালিমের ইমামতি ও কুরআনের মর্যাদা
ইমামতির বর্ণনা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
সালিমের ইমামতি: কুরআন জানার মর্যাদা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১১২৭-[৯]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১১২৭-[৯]
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: لَمَّا قَدِمَ الْمُهَاجِرُوْنَ الْأَوَّلُوْنَ الْمَدِينَةَ كَانَ يَؤُمُّهُمْ سَالِمٌ مَوْلى أَبِىْ حُذَيْفَةَ وَفِيهِمْ عُمَرُ وَأَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الْأَسَدِ. رَوَاهُ البُخَارِيُّ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
মদীনায় প্রথম গমনকারী মুহাজিরগণ যখন আসলেন, আবূ হুযায়ফার আজাদ গোলাম সালিম তাদের সালাতের ইমামতি করতেন। মুক্তাদীদের মাঝে উমর (রাঃ) আবূ সালামাহ ইবনু ‘আবদুল আসাদও শামিল থাকতেন। (বুখারী) [১]
[১] সহীহ : বুখারী ৬৯২।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১২৭-[৯]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মদীনায় প্রথম আগত মুজাহিরদের একটি ঘটনা এসেছে। আবূ হুযায়ফার আযাদ গোলাম সালিম তাদের সালাতের ইমামতি করতেন। বর্ণনায় আরও আছে, তার পেছনে উমর রাঃ এবং আবূ সালামাহ ইবনু আবদুল আসাদও ছিলেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো, ইমামতি বংশ, সামাজিক পরিচয় বা বাহ্যিক মর্যাদার ওপর সীমাবদ্ধ নয়; কুরআন জানা ও সালাত পরিচালনার যোগ্যতা থাকলে মানুষকে সামনে আনা যায়। সালিমের ইমামতি মুসলিম সমাজে জ্ঞানভিত্তিক সম্মানের সুন্দর উদাহরণ। এই হাদিসে অতিরিক্ত কোনো শর্ত বলা হয়নি, তাই ব্যাখ্যাও কেবল সালাতের ইমাম নির্বাচন ও কুরআনের মর্যাদার মধ্যে রাখা হলো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইমাম নির্বাচনে কুরআন জানা ও যোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ।
- সামাজিক অবস্থান নয়, দ্বীনি যোগ্যতা মানুষকে সম্মানিত করে।
- বড় সাহাবিরাও যোগ্য ইমামের পেছনে সালাত আদায় করেছেন।
