৪/৩৩. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১২৩৬-[১০] - ফরজের পর সেরা সালাত

কিয়ামুল লাইল-এর প্রতি উৎসাহ দান - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

ফরজের পর মাঝরাতের সালাতের মর্যাদা

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১২৩৬-[১০]

وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللّهِ ﷺ يَقُوْلُ: «أَفْضَلُ الصَّلَاةِ بَعْدَ الْمَفْرُوْضَةِ صَلَاةٌ فِىْ جَوْفِ اللَّيْلِ». رَوَاهُ أَحْمَدٌ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি : ফরজ সালাতের পর অধিক উত্তম সালাত হলো মাঝ রাত্রের সালাত। (আহ্‌মাদ) [১]

[১] সহীহ : আহমাদ ১০৯১৫, সুনান আল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৮৪২১, শু‘আবুল ঈমান ২৮২৬।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১২৩৬-[১০]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফরজ সালাতের পর অধিক উত্তম সালাত হলো মাঝরাতের সালাত। এতে তাহাজ্জুদ ও কিয়ামুল লাইলের মর্যাদা স্পষ্ট হয়। ফরজ সালাত অবশ্যই মূল দায়িত্ব; তার পর নফল সালাতের মধ্যে রাতের সালাতের বিশেষ স্থান আছে। মাঝরাতে মানুষ ঘুমিয়ে থাকে, চারদিক শান্ত থাকে, তখন বান্দা আল্লাহর সামনে দাঁড়ালে তার মন বেশি একাগ্র হতে পারে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, নফল ইবাদতের জন্য রাতের সময়কে গুরুত্ব দিতে হবে। তবে ফরজ সালাত ঠিক না রেখে নফল নিয়ে ব্যস্ত হওয়া হাদিসের উদ্দেশ্য নয়। আগে ফরজ, তারপর সামর্থ্য অনুযায়ী রাতের সালাত—এটাই সুন্দর পথ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ফরজ সালাতের পর রাতের সালাতের বিশেষ মর্যাদা আছে।
  • তাহাজ্জুদ নফল ইবাদতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
  • মাঝরাতের নীরবতা সালাতে মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে।
  • ফরজ ঠিক রেখে নফল আমলে আগ্রহী হওয়া উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন