৪/৩৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১২৪৭-[২১] - রাতের নিয়মিত আমল ছুটে গেলে করণীয়
কিয়ামুল লাইল-এর প্রতি উৎসাহ দান - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
রাতের আমল ছুটে গেলে কখন পড়বেন
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১২৪৭-[২১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১২৪৭-[২১]
وَعَنْ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: مَنْ نَامَ عَنْ حِزْبِه أَوْ عَنْ شَيْءٍ مِنْهُ فَقَرَأَه فِيمَا بَيْنَ صَلَاةِ الْفَجْرِ وَصَلَاةِ الظُّهْرِ كُتِبَ لَه كَأَنَّمَا قَرَأَهُ مِنَ اللَّيْلِ . رَوَاهُ مُسْلِمٌ
উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন : কোন লোক রাতের বেলা তার নিয়মিত ইবাদত অথবা তার আংশিক না করে শুয়ে গেল। তারপর সে ফজর ও যুহরের মধ্যবর্তী সময়ে তা করে নিলে যেন সে রাতেই তা পড়েছে বলে লিখে নেয়া হয়। (মুসলিম) [১]
[১] সহীহ : মুসলিম ৭৪৭।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১২৪৭-[২১]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাতের নিয়মিত ইবাদত বা নির্ধারিত অংশ ঘুমের কারণে ছুটে গেলে করণীয় বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কেউ যদি রাতে তার নিয়মিত পাঠ বা তার কিছু অংশ না পড়ে ঘুমিয়ে যায়, তারপর ফজর ও যুহরের মাঝের সময়ে তা পড়ে নেয়, তবে তার জন্য এমন লেখা হয় যেন সে রাতেই পড়েছে। এখানে নিয়মিত আমল ধরে রাখার বড় শিক্ষা আছে। মানুষের ঘুম আসতে পারে, অসুবিধাও হতে পারে; কিন্তু আমল একেবারে ছেড়ে না দিয়ে পরে পূরণ করা প্রশংসনীয়। তাই রাতের ইবাদত, নিয়মিত কুরআন পাঠ, তাহাজ্জুদের অংশ এবং ছুটে যাওয়া আমল পূরণ—এসব বিষয় এই হাদিসে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাতের নিয়মিত আমল ঘুমে ছুটে গেলে পরে পূরণ করা যায়।
- ফজর ও যুহরের মাঝের সময় এ আমল পূরণের জন্য উল্লেখ করা হয়েছে।
- নিয়মিত ইবাদত ধরে রাখার চেষ্টা করা দরকার।
- ঘুম বা অসুবিধার কারণে আমল ছুটলে হতাশ না হয়ে পরে আদায় করা উচিত।
