৪/৩৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১২৪৮-[২২] - দাঁড়িয়ে, বসে বা কাত হয়ে সালাত
কিয়ামুল লাইল-এর প্রতি উৎসাহ দান - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
অসুস্থ হলে সালাত কীভাবে পড়বেন
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১২৪৮-[২২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১২৪৮-[২২]
وَعَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: «صَلِّ قَائِمًا فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَقَاعِدًا فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَعَلى جَنْبٍ». رَوَاهُ البُخَارِيُّ
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন : সালাত দাঁড়িয়ে আদায় করবে। যদি তাতে সক্ষম না হও তাহলে বসে আদায় করবে। যদি তাতেও সক্ষম না হও তাহলে (শুয়ে) কাত হয়ে আদায় করবে। (বুখারী) [১]
[১] সহীহ : বুখারী ১১১৭।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১২৪৮-[২২]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সালাত আদায়ের ক্ষেত্রে সামর্থ্যের ভিত্তিতে সহজ নিয়ম বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, সালাত দাঁড়িয়ে আদায় করবে। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে বসে আদায় করবে। যদি বসেও সম্ভব না হয়, তাহলে কাত হয়ে আদায় করবে। এই হাদিস অসুস্থের সালাত বিষয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখানে দেখা যায়, সালাত ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়নি; বরং শরীরের ক্ষমতা অনুযায়ী আদায়ের পথ দেখানো হয়েছে। দাঁড়িয়ে সালাত, বসে সালাত, কাত হয়ে সালাত—সবই সামর্থ্যের সঙ্গে যুক্ত। তাই অসুস্থতা বা দুর্বলতার সময় মানুষ যেন হতাশ না হয়ে নিজের সাধ্য অনুযায়ী সালাত ধরে রাখে, সেটিই এই হাদিসের মূল শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সামর্থ্য থাকলে সালাত দাঁড়িয়ে আদায় করতে হবে।
- দাঁড়াতে না পারলে বসে সালাত আদায় করা যায়।
- বসাও সম্ভব না হলে কাত হয়ে সালাত আদায়ের পথ আছে।
- অসুস্থ অবস্থায়ও সাধ্য অনুযায়ী সালাত ধরে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
