৪/৩৫. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১২৮১-[১৯] - বিতরে সূরা ইখলাস পাঠের আমল
বিতরের সালাত - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
বিতরের সালাতে সূরা ইখলাস পাঠের নববী আমল
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১২৮১-[১৯]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১২৮১-[১৯]
وَعَنْ عَلِيٍّ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ يُوتِرُ بِثَلَاثٍ يَقْرَأُ فِيهِنَّ بِتِسْعِ سُوَرٍ مِنَ الْمُفَصَّلِ يَقْرَأُ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ بِثَلَاثِ سُوَرٍ اخِرُهُنَّ: ﴿قُلْ هُوَا للهُ أَحَدٌ﴾ [الإخلاص 112 : 1] رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিতরের সালাত তিন রাক্‘আত আদায় করতেন এবং তাতে মুফাসসালের নয়টি সূরা পাঠ করতেন। প্রতি রাক্‘আতে তিনটি সূরা এবং এগুলোর শেষ সূরা ছিল “কুল হুওয়াল্ল-হু আহাদ” (সূরা আল ইখলা-স)। (তিরমিযী) [১]
[১] খুবই দুর্বল : আত্ তিরমিযী ৪৬০।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১২৮১-[১৯]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আলী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিতরের সালাতের একটি নির্দিষ্ট আমল বর্ণনা করেছেন। তিনি তিন রাকআত বিতর আদায় করতেন এবং তাতে মুফাসসালের নয়টি সূরা পাঠ করতেন। প্রতি রাকআতে তিনটি করে সূরা পড়তেন। এসব সূরার শেষটি ছিল সূরা আল ইখলাস, অর্থাৎ ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’। এখানে মূল শিক্ষা হলো, বিতরের সালাত শুধু সংখ্যা নয়, বরং কিরাআতের দিক থেকেও একটি সুন্দর ইবাদত। হাদিসটি বিতরের সালাত, সূরা ইখলাস, মুফাসসাল সূরা এবং রাতের নফল সালাত সম্পর্কে আগ্রহী পাঠকের জন্য খুবই প্রাসঙ্গিক। তবে এখানে এটিকে একমাত্র পদ্ধতি বলা হয়নি; বরং নবীজির একটি আমল তুলে ধরা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিতরের সালাতে রাসূলুল্লাহ (সা.) তিন রাকআত আদায় করেছেন।
- প্রতি রাকআতে একাধিক সূরা পাঠের আমল এ বর্ণনায় এসেছে।
- সূরা ইখলাস বিতরের কিরাআতে বিশেষভাবে উল্লেখিত হয়েছে।
