৪/৩৫. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১২৮৭-[২৫] - বিতরের পর বসে দুই রাকআত
বিতরের সালাত - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
বিতরের পর দুই রাকআতে সূরা যিলযাল ও কাফিরূন
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১২৮৭-[২৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১২৮৭-[২৫]
وَعَنْ أَبِي أُمَامَةَ: أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ كَانَ يُصَلِّيْهِمَا بَعْدَ الْوِتْرِ وَهُوَ جَالِسٌ يقْرَأ فيهمَا ﴿إِذَا زُلْزِلَتِ﴾ و ﴿قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُوْنَ﴾ رَوَاهُ أَحْمدُ
আবূ উমামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বিতরের পর দুই রাক্‘আত সালাত বসে আদায় করতেন। আর এ দুই রাক্‘আতে ‘ইযা- যুল্যিলাতি’ এবং ‘কুল ইয়া- আইয়্যুহাল কা-ফিরূন’ পড়তেন। (আহমদ) [১]
[১] হাসান : আহমাদ ২২২৪৭, আওসাতুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ৮০৬৫।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১২৮৭-[২৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, নবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিতরের পরে দুই রাকআত সালাত বসে আদায় করতেন। এই দুই রাকআতে তিনি ‘ইযা যুলযিলাতি’ অর্থাৎ সূরা যিলযাল এবং ‘কুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরূন’ অর্থাৎ সূরা কাফিরূন পাঠ করতেন। তাই হাদিসটি বিতরের পর দুই রাকআত, বসে নফল সালাত এবং নির্দিষ্ট সূরা পাঠের একটি আমল তুলে ধরে। এখানে সালাতের ধরন ও কিরাআত দুটোই স্পষ্টভাবে এসেছে। তবে বর্ণনায় এটিকে একমাত্র পদ্ধতি বলা হয়নি; বরং নবীজির একটি আমল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিতরের পরে বসে দুই রাকআত সালাতের আমল এসেছে।
- এই দুই রাকআতে সূরা যিলযাল ও সূরা কাফিরূন পড়ার কথা বর্ণিত হয়েছে।
- নফল সালাতে বসে কিরাআত পড়ার বিষয়টি এখানে দেখা যায়।
