১/৪. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৩৫-[১১] - ঈমান (বিশ্বাস)
কবরের আজাব - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৩৫-[১১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৩৫-[১১]
عَنْ جَابِرٍ قَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللهِ ﷺ إِلى سَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ حِينَ تُوُفِّيَ فَلَمَّا صَلّى عَلَيْهِ رَسُولُ اللهِ ﷺ وَوُضِعَ فِي قَبْرِه وَسُوِّيَ عَلَيْهِ سَبَّحَ رَسُولُ اللهِ ﷺ فَسَبَّحْنَا طَوِيلًا ثُمَّ كَبَّرَ فَكَبَّرْنَا فَقِيلَ يَا رَسُولَ اللهِ لِمَ سَبَّحْتَ ثُمَّ كَبَّرْتَ؟ قَالَ لَقَدْ تَضَايَقَ عَلى هذَا الْعَبْدِ الصَّالِحِ قَبْرُهٗ حَتّى فَرَّجَهُ اللّهُ عَنْهُ.رَوَاهُ أَحْمَدُ
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
সা‘দ ইবনু মু‘আয (রাঃ) যখন ইন্তেকাল করেন, তখন আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে তাঁর জানাজায় হাজির হলাম। জানাজার সালাত আদায় করে যখন তাঁকে কবরে রাখা হল ও মাটি সমান করে দেয়া হল, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সেখানে (দীর্ঘক্ষণ) আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করলেন। আমরাও তাঁর সাথে অনেক সময় তাসবীহ পড়লাম। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকবির বললেন। আমরাও (তাঁর সাথে) তাকবির বললাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে জিজ্ঞেস করা হল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কেন এভাবে তাসবীহ পড়লেন ও তাকবির বললেন? তিনি (ﷺ) উত্তরে বললেন, এ নেক ব্যক্তির কবর খুব সংকীর্ণ হয়ে গিয়েছিল (তাই আমি তাসবীহ ও তাকবির পড়লাম)। এতে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর কবরকে প্রশস্ত করে দিলেন। [১]
[১] য‘ঈফ : আহমাদ ১৪৪৫৯। কারণ এর সানাদে ‘‘মাহমূদ ইবনু ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আমর ইবনু জামুহ’’ নামক একজন অপরিচিত রাবী রয়েছে। মুসনাদে আহমাদ ৩/৩৬০ ও ৩৭৭ নং পৃঃ।
