৪/৪৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৩৭৮-[৮] - জুমায় অনুপস্থিতির কঠোর সতর্কতা
জুমার সালাত ফরজ - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
জুমায় অনুপস্থিতির কঠোর সতর্কতা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৩৭৮-[৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৩৭৮-[৮]
عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ لِقَوْمٍ يَتَخَلَّفُونَ عَنِ الْجُمُعَةِ: «لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ امُرَ رَجُلًا يُصَلِّىْ بِالنَّاسِ ثُمَّ أُحْرِقَ عَلى رِجَالٍ يَتَخَلَّفُونَ عَنِ الْجُمُعَةِ بُيُوتَهُمْ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) এমন লোক সম্পর্কে বলেছেন, যারা জুমার সালাতে উপস্থিত হয় না, তাদের সম্পর্কে আমি চিন্তা করে দেখেছি যে, আমি কাউকে আদেশ করব, সে আমার স্থানে লোকদের ইমামত করবে। আর আমি গিয়ে তাদের ঘরে আগুন লাগিয়ে দেবো। (মুসলিম) [১]
[১] সহীহ : মুসলিম ৬৫২, ইবনু আবী শায়বাহ্ ৫৫৩৯, আহমাদ ৩৮১৬, ইবনু খুযায়মাহ্ ১৮৫৩, সুনানুল বায়হাক্বী আল কুবরা ৪৯৩৫, সহীহ আত্ তারগীব ৭২৪।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৩৭৮-[৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) এমন লোকদের সম্পর্কে বলেছেন, যারা জুমু’আর সালাতে উপস্থিত হয় না। তিনি বলেছেন, তিনি ভেবেছেন কাউকে নিজের স্থানে ইমামতি করতে বলবেন, তারপর যারা জুমায় অনুপস্থিত থাকে তাদের ঘরে আগুন লাগিয়ে দেবেন। হাদিসের ভাষা খুব কঠোর, এবং এর উদ্দেশ্য জুমার সালাতের গুরুত্ব বোঝানো। এখানে কোনো সাধারণ অলসতা নয়, বরং জুমু’আর সালাত থেকে পিছিয়ে থাকা লোকদের সতর্ক করা হয়েছে। মুমিনের জন্য শিক্ষা হলো, জুমাকে সাধারণ কাজের মতো পিছিয়ে দেওয়া যাবে না। সালাতের সময় হলে প্রস্তুত হয়ে জামা‘আতে যেতে হবে। তবে এই বর্ণনা ব্যাখ্যা করার সময় হুবহু সতর্কতার ভাষা ধরে রাখা দরকার; নিজে থেকে নতুন শাস্তি বা নিয়ম যোগ করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমু’আর সালাতে অনুপস্থিতির বিষয়ে কঠোর সতর্কতা এসেছে।
- নবীজির ভাষা জুমার গুরুত্ব গভীরভাবে বোঝায়।
- জামা‘আতের সালাতকে হালকা করে দেখা উচিত নয়।
- হাদিসের সতর্কতাকে অতিরিক্ত ব্যাখ্যা না করে মূল কথায় রাখা দরকার।
