৪/৪৪. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৪০২-[১৬] - জুমু’আর আগে ব্যস্ততা নয়
পবিত্রতা অর্জন ও সকাল সকাল মসজিদে গমন - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
জুমু’আর সালাতকে আগে রাখার শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৪০২-[১৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৪০২-[১৬]
وَعَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ: مَا كُنَّا نُقِيْلُ وَلَا نَتَغَدَّى إِلَّا بَعْدَ الْجُمُعَةِ. (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
সাহল ইবনু সা'দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা জুমার দিন জুমার সালাত আদায় করার পূর্বে খাবারও গ্রহণ করতাম না, বিশ্রামও করতাম না। (বুখারী, মুসলিম) [১]
[১] সহীহ : বুখারী ৯৩৯, মুসলিম ৮৫৯, ইবনু মাজাহ্ ১০৯৯।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৪০২-[১৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাহাবীদের একটি সহজ কিন্তু সুন্দর আমল ফুটে উঠেছে। তারা জুমু’আর দিন জুমু’আর সালাত আদায়ের আগে খাবার গ্রহণ করতেন না এবং বিশ্রামও করতেন না। এর মানে এই নয় যে খাবার বা বিশ্রাম নিষিদ্ধ; বরং হাদিসে দেখা যাচ্ছে, তারা জুমু’আর সালাতকে দিনের প্রধান কাজ হিসেবে আগে রাখতেন। জুমার নামাজ, জুমার প্রস্তুতি এবং জুমার সালাতের গুরুত্ব বোঝার জন্য এই বর্ণনা খুব উপকারী। সাহাবীদের জীবনে ইবাদত ছিল সময়মতো এবং অগ্রাধিকারভিত্তিক। আমাদের জন্যও শিক্ষা হলো, জুমু’আর দিন অলসতা, দেরি বা দুনিয়ার কাজকে এমনভাবে সামনে আনা ঠিক নয়, যাতে সালাতের মনোযোগ কমে যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমু’আর সালাতকে দিনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে আগে রাখা ভালো।
- খাবার ও বিশ্রাম জায়েয হলেও জুমু’আর প্রস্তুতিতে অবহেলা করা উচিত নয়।
- সাহাবীদের আমল থেকে ইবাদতের অগ্রাধিকার শেখা যায়।
